৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএডিসি কর্তৃক খননকৃত খালের মাছ রাতের অন্ধকারের লোপাট

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০১:৩১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৭
বিএডিসি কর্তৃক খননকৃত খালের মাছ রাতের অন্ধকারের লোপাট

মোঃ গোলাম মাওলা, ঝালকাঠি

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম শৌলজালিয়া সরকারি বিএডিসি কর্তৃক খননকৃত খালের মাছ মৎস্য অফিসার মোঃ রুহুর আমিনের নেতৃত্বে রাতের অন্ধকারের লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা মাছ ধরেনি খালের বাঁধ ছোটার কারনে সেখানে নতুন বাঁধ দেওয়া হয়েছে তখন পানি বাড়তির করনে কিছু মাছ অসুস্থ হয়ে ভেসে উঠেছে, আমরা সেই মাছ ধরেছি সেখানে ১০ কেজির মত হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতির কথার সাথে তাল মিলিয়ে কথা বলেন মৎস্য অফিসার রুহুল আমিন বলেন, ২০২১ সালে খাল খনন করা হয়েছে সেখানে সরকার সকল খরচ মিলিয়ে ১ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন, কমিটির লোকজন সেখানে ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে, মাছ ধরে তারাই নিবে সরকার এখান থেকে কিছু নিবে না।

২৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা পরিচালিত হলেও মাছ ধরার সময় ক্ষমতাশীল ৪/৫ জন ছাড়া কেউ কে জানানো হয়নি বলে জানান বাকি সদস্যরা, তাঁরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

গুঞ্জন উঠেছে মৎস্য কর্মকর্তা এখান থেকে কিছু বড় মাছ নিয়েছে তার কাছে জিজ্ঞেস করলে মৎস্য কর্মকর্তা জানান এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা, সরজমিনে আমি তদন্ত যাবো সত্যতা মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মাছ বিক্রি করলেও সে টাকা সমবন্টন করা হবে

এ স্থানীয় ইউপি সদস্য কাইউম জানান ৪/৫ জন মিলে রাতের আঁধারে বড় মাছ ধরে নিয়ে যায় এ ব্যাপারে সঠিক তদন্তের দাবি জানান।

শৌলজালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন বলেন, মৎস্য অফিসার রুহুল আমিনের নেতৃত্বে তারা রাতের আধারে ১০ মন মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়াছে।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বিএডিসি কর্তৃক খননকৃত খালের মাছ রাতের অন্ধকারের লোপাট

সময়: ০১:৩১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪
বিএডিসি কর্তৃক খননকৃত খালের মাছ রাতের অন্ধকারের লোপাটমোঃ গোলাম মাওলা, ঝালকাঠি ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম শৌলজালিয়া সরকারি বিএডিসি কর্তৃক খননকৃত খালের মাছ মৎস্য অফিসার মোঃ রুহুর আমিনের নেতৃত্বে রাতের অন্ধকারের লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা মাছ ধরেনি খালের বাঁধ ছোটার কারনে সেখানে নতুন বাঁধ দেওয়া হয়েছে তখন পানি বাড়তির করনে কিছু মাছ অসুস্থ হয়ে ভেসে উঠেছে, আমরা সেই মাছ ধরেছি সেখানে ১০ কেজির মত হবে। এ বিষয়ে প্রকল্পের সভাপতির কথার সাথে তাল মিলিয়ে কথা বলেন মৎস্য অফিসার রুহুল আমিন বলেন, ২০২১ সালে খাল খনন করা হয়েছে সেখানে সরকার সকল খরচ মিলিয়ে ১ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন, কমিটির লোকজন সেখানে ৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে, মাছ ধরে তারাই নিবে সরকার এখান থেকে কিছু নিবে না। ২৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা পরিচালিত হলেও মাছ ধরার সময় ক্ষমতাশীল ৪/৫ জন ছাড়া কেউ কে জানানো হয়নি বলে জানান বাকি সদস্যরা, তাঁরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। গুঞ্জন উঠেছে মৎস্য কর্মকর্তা এখান থেকে কিছু বড় মাছ নিয়েছে তার কাছে জিজ্ঞেস করলে মৎস্য কর্মকর্তা জানান এ ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা, সরজমিনে আমি তদন্ত যাবো সত্যতা মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মাছ বিক্রি করলেও সে টাকা সমবন্টন করা হবে এ স্থানীয় ইউপি সদস্য কাইউম জানান ৪/৫ জন মিলে রাতের আঁধারে বড় মাছ ধরে নিয়ে যায় এ ব্যাপারে সঠিক তদন্তের দাবি জানান। শৌলজালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন বলেন, মৎস্য অফিসার রুহুল আমিনের নেতৃত্বে তারা রাতের আধারে ১০ মন মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়াছে।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.