
জানা যায়, শুক্রবার (১৯ ই সেপ্টেম্বর) রাতে চিত্রা-নড়াইল জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির পেইজে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির পদবিসহ ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়। কমিটিতে ঐ ছাত্রলীগ কর্মীর পদ ২নং সহ-সভাপতি। তবে এর আগে ০২ জুলাই নিষিদ্ধ সংগঠনের এ কর্মীকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে, এ বিষয়টি কমিটির সভাপতি সাব্বির খন্দকারকে বিষয়টি জানানো হলে মোঃ রাফিকে বাদ দিয়ে মোঃ আসিফ ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করার হয়। ০২ জুলাইয়ে কমিটির অনুমোদন দেন এ সমিতির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার ও রেজিস্ট্রার দপ্তরের সেকশন অফিসার হাবীবা ইসলাম। বর্তমান কমিটির সভাপতি যবিপ্রবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক একই শিক্ষাবর্ষের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ আসিফ ইসলাম।
এ বিষয়ে সভাপতি সাব্বির খন্দকার বলেন, রাফির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার আগেই কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তবে তা প্রকাশ করা হয় গতকাল। অনেকেই বলছেন আমি ব্যক্তিগতভাবে রাফিকে সহসভাপতি বানিয়েছি—কিন্তু বিষয়টি আসলে তা নয়। আমিও সবার মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচিত হয়েছি। রাফি শুরু থেকেই ক্লাবের সবচেয়ে সক্রিয় সদস্য ছিল এবং সর্বাধিক পরিশ্রম করেত। তাই সবার সম্মতিতেই তাকে সহ-সভাপতি হিসেবে রাখা হয়েছিল। কিন্তু কমিটি প্রকাশের পর যখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তখন পরবর্তীতে তাকে কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নড়াইল জেলা সমিতির উপদেষ্টা কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার ও রেজিস্ট্রার দপ্তরের সেকশন অফিসার হাবিবা ইসলাম এর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলে রিসিভ করেননি।