
পরে রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে উপদেষ্টা আসিফ নিজেই বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত এবং তার কাছে লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।
তবে বিষয়টি ঘিরে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের খ্যাতনামা অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তিনি রবিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আসিফের বয়স ৩০ এর বেশি হতে পারে। কিন্তু ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে আগের তিন বছরে ধারাবাহিকভাবে তিন লাখ টাকার আয়কর প্রদানসহ এনবিআর প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হয়। সেই শর্ত কি তিনি পূরণ করেছেন?”
সায়ের আরও লেখেন, “যদি মন্ত্রী পদমর্যাদার কারণে এসব কর বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পেয়ে থাকেন, তাহলেও অস্ত্র কেনার টাকা কোথা থেকে এল? অস্ত্র কেনা হয়েছে কোথা থেকে? এসব প্রশ্নের জবাব জানানো দরকার।”
সামাজিকমাধ্যমে ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে দাবি করছেন, জনস্বার্থে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের আয়কর বিবরণী ও অস্ত্র লাইসেন্স সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি।