
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম সেলিম ও তার ভাতিজা রাশেদুন নবী শাহিনের উপর পুলিশের উপস্থিতিতে হামলার প্রতিবাদে ও হামলা কারীদের নামে থানায় মামলা গ্রহনের সময় বেঁধে দিলেন সংবাদ সন্মেলনে নির্যাতিত, নিপীড়িত, তৃর্ণমূল আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা।
কাউনিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে বৃহস্পতিবার বিকালে এক সংবাদ সন্মেলনে ত্যাগী নির্যাতিত,নিপীড়িত তৃর্ণমূল আওয়ামী লীগের ব্যানারে মুখপাত্র মোঃ আশরাফুল আলম আগামী শনিবার পর্যন্ত মামলা গ্রহনের সময় বেঁধে দেন।
তিনি সাংবাদিক সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে বলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান এর ছোট ভাই এক সময়ের শিবির ক্যাডার আব্দুর রউফ ও তার ছেলে চঞ্চল সহ তার সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম সেলিমের নির্মম হামলা চালিয়ে জীবন নাশের চেষ্টা চালায়। স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর জখম অবস্থায় সাইফুল ইসলাম সেলিম কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা সেবা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পরে থাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
এ ঘটনায় জড়িত ১৪ জন কে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানায় মামলা নিতে গড়িমসি শুরু করে। আমরা এর প্রতিবাতে বৃহস্পতিবার বিকালে বিক্ষোভ মিছিল করার সিন্ধান্ত নিয়ে ছিলাম। এ খবর পেয়ে জেলা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা কর্মসূচী পালন করতে নিষেধ করে। তাই সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে আগামী শনিবারের মধ্যে মামলা গ্রহনের সময় বেঁধে দেয়া হলো। এ সময়ের মামলা গ্রহন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
সাংবাদিক সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দস সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক আবু ফেরদৌস মহসিন হীরা সরকার, উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ,মিজানুর রহমান,যুবলীগ নেতা ইউসুব আলী শহীদবাগ ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, বালাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিলদার আলী, যুবলীগ নেতা ,রানা চৌধুরী মহিলা আওয়ামী সম্পাদক সামছুন্নাহার রানীসাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুশান্ত সরকার প্রমূখ।