
স্টাফ রিপোর্টার
রংপুরে কাউনিয়া উপজেলার কূর্শা ইউনিয়নের অন্তর্গত রাসুলপুর মোজাহারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে বাধা ও মানসিক নিপীরণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে মোছাঃ মিথিলা আক্তার (কথা) রাসুলপুর মোজাহারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী গত ০৯/১১/২০২৩ তারিখ থেকে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হলে সে সেখান অংশগ্রহন করে। পরীক্ষার ১ম দিনে সুষ্ঠ ভাবে পরীক্ষায় দিলেও ২য় দিনে হঠাৎ করে পরীক্ষার খাতা দেওয়ার পর অত্র মাদ্রাসার সুপার ও সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেন পরীক্ষায় উপস্থিত হয়ে মিথিলা আক্তার কথাকে খাতায় লিখতে নিষেধ করে এবং পাওনা বকেয়া থাকার মিথ্যা অজুহাতে এক পায়ে আধা ঘন্টা দাড় করিয়ে রাখে। এক পর্যায়ে খাতাপত্র দেখার নামে তাকে মাদ্রাসা অফিসে নিয়ে যায় এবং নানা রকম কটুক্তি করে। উক্ত ঘটনার ফলে ভালভাবে পরীক্ষা দিতে পারেনি বলে দাবি করছেন তার অবিভাবক মোঃ আব্দুল কাদের। তিনি আরো বলেন আমি মাদ্রাসার রশিদ মূলে আমার মেয়ের যাবতীয় বেতন ও পরীক্ষার ফি সঠিক সময়ে পরিশোধ করেছি তার পরেও কেন আমার মেয়েকে সহপাঠীদের সামনে এভাবে অপমান করা হয়েছে, সে এখন মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমার মেয়ের সঙ্গে মাদ্রাসার সুপার ও আলমগীর স্যার যে ব্যবহার করেছেন এরকম ব্যবহার যেন অন্য কোন শিক্ষার্থীর সঙ্গে আর না করেন সেজন্য সুষ্ঠু বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে অভিযোগ দাখিল করেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাসুলপুর মোজাহারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন জানান আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো তোলা হয়েছ এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা সুপার জানান, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে হেওপুর্ন করার জন্য একটি পক্ষ এগুলো বলে বেড়াচ্ছে আর মিথিলা আক্তার (কথা)র ভর্তি হওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিদুল হক জানান এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। মৌখিক ভাবে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।