
রংপুরের কাউনিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত হয়েছেন ৬ জন!
শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার হারাগাছ ইউনিয়নের গফফারটারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মোকারাম আলী বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে যানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সফিকুল ইসলাম গং এর সাথে সহিত আমার বোন মোছা: মেহেনা বেগম (৪৮), এর স্বামী-মো: কোবাদ আলী (৬০), এর জায়গা-জমি লইয়া বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। উক্ত বিরোধের জের ধরিয়া বিবাদীগণ আমার বোন ও বোনের জামাইকে মারপিট ও খুন জখম করিবে মর্মে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে। ঘটনার দিন ১৬/১১/২০২৪ খ্রি. তারিখ দুপুর অনুমান ১২.৩০ ঘটিকায় আলুর মহাজন মো: মাহারিয়ার বিন লিমন (২৪), পিতা-মোঃ সৈয়দ আলী, সাং-হারাগাছ (পূর্ব মিয়া পাড়া), থানা-হারা গাছ মেট্রোপলিটন আরপিএমপি, জেলা-রংপুর এর নিকট হইতে বীজ আলু ক্রয়ের জন্য নগদ ২,৯০,০০০/- (দুই লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা সঙ্গে লইয়া বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা করিয়া বিবাদীদের বাড়ির পূর্ব দিকে কাউনিয়া থানাধীন নাজিরদহ মৌজাস্থ কালভার্টের পৌছা মাত্রই দেখিতে পাই যে, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিবাদীগণ হাতে লাঠি-সোঠা, খন্তি, ধারালো ছোরা, ধারালো দা সহ বিভিন্ন দেশিয় অস্ত্র-সস্ত্র সহ অবৈধ জনতায় দলবদ্ধ হইয়া সফিকুল গং হামলা করে আমার এতে বোন সহ ৬ জন কে আহত করে টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।তখন আমি বিবাদীগণের কবল হইতে আমার বোন ও তাহার পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করার জন্য আগাইয়া গেলে বিবাদীগণ তাহাদের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি, খন্তির ডান্টি দ্বারা আমাকে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা-ফোলা জখম করে। ১নং বিবাদীর হুকুমে ৩,৪,৫, ৬নং বিবাদীর সহযোগিতায় ২নং বিবাদী তাহার হাতে থাকা ধারালো ছোরা দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথার মাঝ বরাবরে স্বজোরে চোট মারিলে আমি নিজের জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় বাম হাত দ্বারা ছোরার চোট প্রতিরোধ করার সময় ২নং বিবাদীর ধারালো চোট আমার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে লাগিয়া বৃদ্ধাঙ্গুলের আগাল কাটিয়া মাটিতে পরিয়া যায়। আমি রক্তাক্ত অবস্থায় হাতের আঙ্গুল চাপিয়া ধরিয়া মাটিতে পরিয়া। যাওয়ার সুযোগে ৫ নং বিবাদী আমার বুক পকেটে থাকা আলুর মহজনের ৪০,০০০/- টাকা নিয়া নেয় ও ৬নং বিবাদী কোমড়ে লুঙ্গিতে পেঁচাইয়া রাখা ২,৫০,০০০/- টাকা নিয়া নেয়। তখন আমাদের ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিয়া বিবাদীগণের কবল হইতে আমাদেরকে রক্ষা করিলে স্থানীয় লোকজন ধরাধরি করিয়া আমার বোন ও তাহার পরিবারের সদস্যদেরকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য লইয়া যায় এবং আমি উপস্থিত লোকজন এর সহযোগিতায় অজ্ঞাত চার্জার অটো যোগে কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে ভর্তি করাইয়া চিকিৎসা সেবা প্রদান করে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এস এম শরিফ জানান এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।