
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় জ্বালানি সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাইকার ভাড়ি যানবাহন চালক ও সাধারণ জনগন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছেনা প্রয়োজনীয় তেল ।
২৮ শে মার্চ শুক্রবার শুক্রবার বিকালে ঘুরে জানতে পারি,
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানির সংকট দেখা দিলেও কাউনিয়া রেলগেট সংলগ্ন মা সুফিয়া ফিলিং স্টেশনে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সেখানে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেও অনেকেই খালি হাতে ফিরছেন।
মা সুফিয়া ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী শফিকুল ইসলাম ( শফিক) জানান,ঈদের ছুটির কারনে ডিপো গুলো বন্ধ থাকায় সরবরাহ সংকট তাই চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, “আমরা নিজেরাই পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছি না। যতটুকু পাচ্ছি, তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে এই সংকট সাভাবিক হয়ে যাবে।
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করছেন। কোথাও কোথাও প্রতি লিটার পেট্রোল ও অকটেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুরো উপজেলায় জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান তদারকি নেই। এতে করে কালোবাজারি আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসকও নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, “কেউ যদি তেল মজুদ বা অবৈধভাবে বিক্রি করার সঙ্গে জড়িত থাকে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে সরকারি সূত্র বলছে, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই। তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার সঙ্গে এ বক্তব্যের মিল না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন ও ক্ষোভ বাড়ছে।
দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা।