
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সফল সহ সভাপতি ও কাঞ্চন পৌর মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন বলেন আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ১( রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ২০০০ ও ২০১৮ সালে নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে ধানের শিষে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান মনির দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের কাছেও তিনি একজন স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে সু-পরিচিত।
দলীয় সূত্রে জানা যায়,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্লিন ইমেজধারী প্রার্থীদের প্রাধান্য দেবে বিএনপি।অপকর্মে জড়িত বা বিতর্কিত কাউকে মনোনয়ন দেবে না দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এটা নিয়ে আসনভিত্তিক কাজ শুরু করেছেন।অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত ত্যাগী ও ক্লিন ইমেজধারীদের দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার খসড়া তৈরি করা হবে।
তবে বিএনপি এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে ‘ গ্রিন সিগন্যাল না দিলেও দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বসে নেই।আছেন গণসংযোগের মধ্যে। দলের নির্দেশনা মেনে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে ক্লিন ইমেজ প্রার্থী হিসেবে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত আদর্শে বিশ্বাসী রাজ পথ থেকে বেডে ওঠা মেধাবী নেতৃত্ব,বিগত ১৭ বছর বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী, সরাসরি সহযোগিতার মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া রাজপথের লড়াকু সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান মনির।
রূপগঞ্জ ১ আসনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এবং পাড়া-মহল্লায় দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে ও তারেক রহমানের ৩১ দফা নিয়ে গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন কৌশলে আগাম প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন কাজী মনির। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন সার্বক্ষণিক।কাজী মনির দলের সকল কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা কর্মসূচী পালনে অংশ গ্রহণ করেন।তার সুযোগ্য নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের কঠোর শাসনামলেও রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপিকে সু-সংগঠিত ও শক্তিশালী করে রেখেছিলেন।
রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নিবেদিত এক নেতা জানান ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে সারাদেশের ন্যায় রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা নির্যাতন ও নিপীড়নমূলক মামলা হয়েছে। এসময় নেতা-কর্মীদের মামলার সকল প্রকার তদারকি সহ নেতাকর্মীরা জেল হাজতে থাকাকালীন সময়ে তাদের পরিবারের সার্বিক দেখভাল করেছেন কাজী মনির। আমরা এমন নেতাই চাই আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে। তাকে যদি দল দলীয় মনোনয়ন দেয় তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।
বিএনপির একাধিক নেতাকর্মিদের সাথে কথা হলে তারা জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ক্লিন ইমেজের স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ দিপু ভূইয়া কেই দেখতে চান দলের নেতাকর্মিরা। তিনি তার কার্যক্রম দিয়ে ইতিমধ্যে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় ও একজন নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে আস্থা অর্জন করেছেন। এছাড়াও নির্বাচনী আসনের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ড, অসহায় দুঃস্থদের সহযোগিতা, জেলা ও উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। তাকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হলে এ আসনে কেউ তার বিজয় ঠেকাতে পারবে না।
স্হানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বলেন,নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে বিএনপি দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী সকল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে কাজী মনিরুজ্জামান মনির ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি। যার কোন দুর্নীতি , চাঁদাবাজি , টেন্ডারবাজি ,ভূমি দখল, অবৈধ পুকুর খননের কোন প্রকারের অভিযোগ নেই। এমনকি তার নাম ভাঙ্গিয়ে কোন অন্যায় কাজ কেউ করেনি, তিনি একজন স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। বিএনপির আস্থা ও ভরসার প্রতীক তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ ১ আসনে যদি দল (বিএনপি) আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে তাহলে সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই আসনে বিএনপির বিজয় সু-নিশ্চিত করব এবং দেশ গড়তে তারুণ্যের অহংকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর বিশ্বস্ত সৈনিক হিসেবে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ্।