
বুধবার (১২ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান রাহাত।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি উড়ো মেইলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগে বলা হয়, ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক কাজী এম. আনিছুল ইসলামের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তাকে একাধিকবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে সহযোগিতা করেছেন।
এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান রাহাত বলেন, "বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আলোচনা করে আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ নরুল করিম চৌধুরী বলেন, "আমার কাছে একটি উড়ো চিঠি এসেছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা বাস্তবায়ন করব।"
এ বিষয়ে কাজী এম. আনিছুল ইসলামকে বার বার মুঠোফোনে কল দিলেও কোন সাড়া দেননি।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।