
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মৃত আদম আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম জানান, "বাবার বাড়ির জমি বিক্রি করে এনে,সেই টাকা দিয়ে অনেক কষ্ট করে কোম্পানীর পাশে তিন তলা বাড়ি করি। রিমার্ক এখানে আসার পর তিন বছরের জন্য তাঁরা এই বাড়ি ভাড়া নেয়। স্বামী মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশ সূত্রে এই বাড়ি ও সম্পত্তির মালিক হই আমি।আমার তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। এর মধ্যে এক ছেলে মানসিক বিকার ও নেশাগ্রস্ত।কোম্পানীর লোকদেরও আমরা জানিয়েছি কিন্তু তাঁরা আমাদের কথা না শুনে সেই ছেলের কাছ থেকে জোরপূর্বক জমি লিখে নিয়ে এখন আমাদের বাড়ি ঘর দখল করে নিতে চাইছে,আমরা গরিব মানুষ,আমাদের আর যাওয়ার জায়গা নেই,বাধ্য হয়েই পরিবার নিয়ে অনশণ করছি"।
প্রতিষ্ঠা লগ্নের পর থেকেই কোম্পানীটির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি জোড়পূর্বক দখলের অভিযোগ রয়েছে এছাড়াও নিজেদের কর্মচারীদের কোম্পানীর আশেপাশে বাসা ভাড়া নেওয়া যাবে না,বৃষ্টির পানিতে নিকটস্থ বাড়িঘরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও প্রতিকারের কোন উদ্যোগ তাদের নেই।
এ বিষয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে রিমার্ক কোম্পানীর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফোকরান উদ্দিন বলেন, "আমরা কারো জায়গা দখল করি নাই,মৃত আদম আলীর ছেলে ওসমান গনি নিজে স্ব ইচ্ছায়,স্ব জ্ঞানে সম্পূর্ণ টাকা পেয়ে,সাব রেজিস্ট্রার এর সামনে দুই শতাংশ জমি লিখে দেন,আমরা দখল করতেও যাই নাই।সেই সাথে আমাদের কোম্পানীর আশেপাশে যারাই আছে প্রত্যেকের প্রতিই আমরা সর্বোচ্চ সামাজিক দ্বায়িত্ব পালন করেছি,করবো"।