
গত ২৮ এপ্রিল (সোমবার) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর ড.বিপ্লব গাঙ্গুলি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে উক্ত বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে পটিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা জনাব একেএম জসিম উদ্দিনকে সভাপতি করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিলো।এই প্রজ্ঞাপনে একমাস শেষ না হতেই উক্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আজ পুনরায় আবারও এ এইচ এম গিয়াসউদ্দিন হেলাল সভাপতি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক প্রফেসর ড.বিপ্লব গাঙ্গুলি।
বর্তমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এডহক কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্ব স্ব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক স্হানীয় গনমাণ্য ব্যক্তিবর্গের থেকে তিনজন স্নাতক/স্নাতকোত্তর ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করে স্ব স্ব এলাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় বরাবর প্রেরণ করবেন। সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় এই প্রস্তাব গুলো যাচাই-বাছাই করে সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর প্রেরণ করবেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় তিনজন ব্যক্তি থেকে যাকে উপযুক্ত মনে করেন বা এক নাম্বার ব্যক্তিকে সনাক্ত করে শিক্ষা বোর্ড বরাবর প্রেরণ করবেন সভাপতি হিসেবে নাম উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপন জারি করার জন্য।
এই গৈড়লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকের তিনজনের প্রস্তাব করা ফাইল দেখে জানা গেছে, বর্তমান যাকে সভাপতি হিসেবে আজ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে অর্থাৎ এ এইচ এম গিয়াসউদ্দিন হেলালের নামই প্রস্তাব করে পাঠাননি। জানা গেছে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় প্রধান শিক্ষিককে ফোন করে বলার পর প্রধান শিক্ষিক আবারও একটি প্রস্তাব পাঠালে তাতে এ এইচ এম গিয়াসউদ্দিনকে তিন নাম্বার সিরিয়ালে দিয়ে নাম প্রস্তাব পাঠানো হয়।অবশেষে প্রধান শিক্ষিক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের অনেক নাটকীয়তার পর আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে অবশেষে গতকাল এএইচএম গিয়াসউদ্দিন হেলাল কে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
উল্লেখ্য যে, বর্তমান গৈড়লা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক জনাব মোঃ শহীদুল ইসলাম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শিক্ষক সমিতি (কামরুজ্জামান) এর সাধারণ সম্পাদক এবং ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) একজন জেলার দায়িত্বশীল পদে থেকে সরাসরি দায়িত্ব পালন করেন।উনি একই ইউনিয়নের বিদ্যালয়ের পাশের তেকোটা গ্রামের স্হায়ী বাসিন্দা। প্রধান শিক্ষিক থাকাবস্হায় উনার সহধর্মিণীকেও একই স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ দেন। উনার আপন বোন মাজেদা বেগম শিরু আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে তিনবার পটিয়া উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং আপন ভগ্নিপতি অথাৎ মাজেদা বেগম শিরুর স্বামী, জামায়াতে ইসলামীর নেতা সহ বিএনপি নেতা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর তথাকথিত মানবতা বিরোধী অপরাধের রায় দ্রুত ফাঁসি দাবিতে গঠিত ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে "গণজাগরণ মঞ্চ" চট্টগ্রাম শাখার আলোচিত আহ্বায়ক ছিলেন।