
তিনি বলেন, “নতুন নির্বাচন কমিশন ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেবে বলেছে। আমরা তাদের একটি অ্যাসিড টেস্ট নিতে চাই। আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিন, আমরা দেখি তাঁদের সদিচ্ছা ও সক্ষমতা কতটা।”
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারে জনপ্রতিনিধি না থাকায় জনগণ ভোগান্তিতে পড়ছে। সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন হলে জাতীয় নির্বাচন নিয়েও জনগণের আস্থা বাড়বে।
প্রায় ৩৫ মিনিটের বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন হওয়া উচিত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, তাহলে নিম্নকক্ষে নয় কেন?”
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়েও তিনি কঠোর সমালোচনা করেন। বলেন, “এই সুপারিশ দেশের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে। এই কমিশনের সদস্যরা দেশের সাড়ে ৯ কোটি নারীর প্রতিনিধিত্ব করেন না।” তিনি এই কমিশন বাতিলের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে যদি কোনো কমিশন গঠিত হয়, সেখানে কোরআন-হাদিস জানা নারীদের অন্তর্ভুক্তির দাবি তোলেন।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ, সাংগঠনিক সেক্রেটারি ছামিউল হক ফারুকী, জেলা আমির মো. আবদুল করিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।