
‘উৎসব হোক উষ্ণতার’ শীর্ষক এই আয়োজনের মাধ্যমে ব্যাচের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বাড্ডা, ভাটারা ও গুলশান এলাকায় ছড়িয়ে থাকা প্রকৃত গৃহহীন, অসহায় মানুষ এবং পথশিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।
শৈল্পিক ৫৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইটের অপচয় রোধ করে সেই অর্থ দিয়ে মানুষের সেবা করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।
তারা বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, সবার সহযোগিতা ও পরামর্শে আমরা সফলভাবে অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি। এই মানবিক ধারা আমরা এখানেই থামিয়ে দিতে চাই না; এটি একটি শুরু মাত্র।”
আয়োজকরা জানান, "এই ইভেন্ট শেষ হওয়ার পরেও আমাদের ফান্ডে অর্থ উদ্বৃত্ত রয়েছে, যা দিয়ে আর্তমানবতার এই সেবার কাজ অব্যাহত থাকবে। যারা আর্থিক সহায়তা ও মূল্যবান পরামর্শ দিয়ে এই উদ্যোগকে সফল করেছেন, তাদের প্রতি আমরা বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।"
‘ভালো কিছুর শুরুটা হোক আমাদের থেকেই’—এই বিশ্বাস নিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই শিক্ষার্থীরা স্বপ্ন দেখেন তাদের এই ‘শৈল্পিক ৫৭’ এর মানবিক কাজগুলো ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বময়।