
শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ২টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনি জানান, গত বছরের ১৭ জুলাই হলে হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা বহাল থাকবে। স্ব স্ব হল প্রশাসন এ নীতিমালার আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাবির ১৮টি হলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে মাস্টারদা সূর্য সেন হল, মুহসীন হল, রোকেয়া হলসহ বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর, হল পলিটিক্স নো মোর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে তারা টিএসসির সামনে জড়ো হন এবং পরে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন।
উপাচার্যের ঘোষণার পরও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হলে রাজনীতির সম্পূর্ণ অবসান দাবি করে ৬ দফা আল্টিমেটাম দেন। তাদের দাবিগুলো হলো—
১) কেন কমিটি দেওয়া হলো, উপাচার্যকে তার জবাব দিতে হবে।
২) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রদল, শিবির, বাগছাস, বামসহ হলে বিদ্যমান সব গুপ্ত কমিটি বিলুপ্ত করতে হবে।
৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের হল একাডেমিক এলাকায় রাজনীতির সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে ছাত্ররাজনীতির পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা দিতে হবে।
৪) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব হল কমিটি বিলুপ্ত করতে হবে।
৫) হল প্রভোস্টদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হবে।
৬) দ্রুত ডাকসু বাস্তবায়ন করতে হবে।
শুক্রবার দিনের শুরুতে ও বিকেলে দুই দফায় বিক্ষোভে অংশ নেয় রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরাও। বিকেলের বিক্ষোভে তারা রাতের মধ্যেই কমিটি বাতিলের আল্টিমেটাম দেন।