
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের জয়েন্ট সেক্রেটারি ও সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম দীর্ঘ ১১ বছর পর পুনরায় চাকরিতে ফিরেছেন। ২০১৪ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি বাঁশখালী হামেদিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ পদ থেকে চাকরি হারিয়েছিলেন।
রোববার (১১ আগস্ট) মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর, চট্টগ্রাম বিভাগের পরিদর্শন শাখার পরিদর্শক জিএম শামছুল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তার চাকরিতে পুনর্বহালের বিষয়টি জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বরখাস্তের অভিযোগে মাওলানা জহিরুল ইসলাম ২২ মে ২০২৫ তারিখে (ডকেট নং-১৪৪৪৬) অধিদফতরে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। এ বিষয়ে ৬ জুন ২০২৫ ও ২৩ জুলাই ২০২৫ তারিখের দুটি স্মারকের প্রেক্ষিতে তদন্তভার দেওয়া হয় পরিদর্শক (প্রশিক্ষণ ও শারীরিক শিক্ষা) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাককে।
তদন্তে প্রমাণিত হয়, গভর্নিং বডি অনুমোদিত ছুটি না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে বরখাস্ত করে। এ ঘটনায় আদালতের রিট পিটিশন নং-৩৬৫৭/২০১৫ এর রায়ে উল্লেখ করা হয়— কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীকে ৬০ দিনের বেশি সাময়িক বরখাস্ত রাখলে তিনি পূর্ণ বেতন-ভাতা পাওয়ার অধিকারী হবেন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অধিদফতর গভর্নিং বডির সভাপতিকে ‘বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের’ নির্দেশ দিয়েছে।
পুনর্বহালের পর প্রতিক্রিয়ায় মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, “মূলত আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলাম। দীর্ঘ সময় পর হলেও আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী।”