
দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি উদ্বোধন করেন দ্বিতীয় প্রশাসনিক ভবন, কর্মচারী কোয়ার্টার ‘বন্ধন’, নবনির্মিত কলা ভবন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ওয়েবসাইট। নজরুল ভাস্কর্য ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সংস্কার কাজও সম্পন্ন করেন তিনি। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, মেডিকেল সেন্টার, টিএসসি ভবন, দশতলা বিশিষ্ট ছাত্র-ছাত্রী হল এবং ইন্সটিটিউট ভবনসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
উপাচার্যের প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়। আন্ডারগ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাপনার কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সুদৃঢ় করতে তিনি স্বাক্ষর করেছেন আকিজ রিসোর্স ও মালয়েশিয়ার লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। একাডেমিক অঙ্গনে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছেন জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রদান করেন ও তৃতীয় গবেষণা মেলা আয়োজন করেন।
উপাচার্যের উদ্যোগে পালিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ, নজরুল জয়ন্তী, রবীন্দ্র জয়ন্তীসহ বিভিন্ন দিবস। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আর্থিক সহায়তা প্রদান, অটোমেটিক হুইলচেয়ার বিতরণ এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি।
খেলাধুলার ক্ষেত্রেও তিনি আন্ত:বিভাগ ও আন্ত:অনুষদ ক্রিকেট, ফুটবল এবং ভলিবল প্রতিযোগিতা আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেছেন। তাছাড়া ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ বৃত্তি, গবেষণা প্রকল্পের সহায়তা ও বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে বই বিতরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে পেরেছি। সরকারের সীমিত বরাদ্দের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আমরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।