
নীলফামারীতে পারিবারিক দ্বন্দে আহত সাংবাদিক সায়মন ও তার স্ত্রী মোছাঃ শিরিন আক্তার। নীলফামারী সদর উপজেলার উকিলের মোড় চেতাশাহ্ রেলঘুন্টিতে পারিবারিক সংঘর্ষে সাংবাদিক সায়মন ও তার স্ত্রী দুজনে আহত হয়েছে।
এ ঘটনাটি ঘটেছে, ১৯শে সেপ্টেম্বর আনুমানিক সন্ধা ৬টা সময় সাংবাদিক সামিউল আলম সায়মনের নিজ বাড়ীতে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়,মোঃ সামিউল আলম সায়মন(৩৫) এর সাথে পূর্ব থেকে পারিবারিক ঝগড়া ও দ্বন্দ্ব করে আসছিলেন তার ভাই মোঃ সাজ্জাউল আলম শাওন(৪৫), ও ভাবি, মোছাঃ শাহানাজ আক্তার(৩০), তার পিতা মোঃআনিসুর রহমান( ৫৬)। পূর্বের ন্যায়, ১৯শে সেপ্টেম্বর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মোঃ সাজ্জাউল আলম শাওন,ও তার স্ত্রী শাহানাজ আক্তার, ও মোঃ আনিসুর রহমান, তারা সবাই মিলে, ছুরি,রড লাঠি নিয়ে সাংবাদিক সামিউল আলম সায়মনের বাড়ীতে হামলা করে, সামিউল আলম সায়মনকে হত্যার উদ্দেশে তার বাবা গলা টিপে ধরে,এবং তার ভাই শাওন লাঠি রড, দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। ,একপর্যায়ে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সায়মন ডান হাত দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলে সায়মনের হাতে প্রচণ্ড আঘাত পায়,বেধড়ক মারপিট দেখে সামিউল আলম সায়মনের স্ত্রী মোছাঃ শিরিন আক্তার, শাওন কে বাধা দিলে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফালাইয়া দেয়,এবং সায়মনের বাবা রড দিয়ে শিরিনের মাথায় হত্যার উদ্দেশে আঘাত করে। শিরিন বাম হাত দিয়ে মার ঠেকানোর চেষ্টা করলে হাতে আঘাত পায়। এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রড,ছুরি দিয়ে আঘাত করলে শরীরের অধিকাংশ কেটে জায়।
পাশাপাশি সামিউল আলম সায়মনের বাবা ভাই,ভাবি, সবাই মিলে,ঘরের বিভিন্ন জিনিস পত্র ভাংচুর করে,ঘরে থাকা আলমারির, ড্রয়ার থেকে ৪৭,০০০টাকা চুরি করে নিয়ে জায়, ও সাংবাদিক সায়মন এর স্ত্রীর স্বর্নের চেন গলার হার,চুরি করে নিয়ে যায়,যার মোট মূল্য প্রায় ৮০,০০০, টাকা, সাংবাদিক সায়মন জানান,হামলা কারিরা আক্রোশ বশত বাড়ীর চাটি বেড়া, পানি খাওয়ার টিউবওয়েল ,ছোট বড় গাছপালা সহ অনেক ক্ষতিসাধণ করে যার আনুমানিক মূল্য ৫০,০০০ টাকা।
এই মর্মান্তিক সংঘর্ষের বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন হামলা কারিরা মেরে যাওয়ার সময় বলে যান আরো মারবো হাত,পা, ভেঙ্গে দিব ও প্রাণনাশের ও হুমকি দেন,,স্থানীয়রা তাদেরকে তাৎক্ষণিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান, বর্তমানে সাংবাদিক সামিউল আলম সায়মন ও তার স্ত্রী, নীলফামারী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। সামিউল আলম সায়মন এমন নেক্কার জনক ঘটনার ন্যায় বিচারের জন্য, নীলফামারী সদর থানায় এজাহার প্রদান করেন।