
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
শিক্ষা জীবনের পুরোটা সময় তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করেছিলেন। দীর্ঘদিন ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সেখান থেকে ২০০১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৮৭-৯০ সাল পর্যন্ত (কলেজ সরকারি হওয়ার আগ পর্যন্ত) তিনি ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন ধর্মভীরু, সৎ ও পরোপকারী একজন মানুষ। তিনি স্ত্রী, কন্যা,বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক জামাতা, অসংখ্য শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি রুয়েটের ছাত্রকল্যান পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রবিউল ইসলাম সরকারের শশুর।
সোমবার বাদ এশা রাজশাহীর টিকাপাড়া জামে মসজিদে জানাজা শেষে টিকাপাড়া গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যক্তিগত আইনজীবী ও যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার এ কে এম কামরুজ্জামান (জামান), সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মনছুর আলী সরকার, দিনাজপুর জেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. খুরশিদ আলম, দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক মো. আমিনুল হক সরকার, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহাজুল ইসলাম, ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহম্মেদ চৌধুরী খোকন, ফুলবাড়ী উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিল্টন, সাবেক পৌর মেয়র মাহমুদ আলম লিটন, সাবেক মেয়র মানিক সরকার, সুজাপুর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মোশাররফ হোসেন মণ্ডল, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ফুলবাড়ীর বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, সুধিজন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।