
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার হরিশপুর গ্রামের
মোছাঃ রিতু খাতুন, পিতার নাম, মোঃ ইউসুফ শেখ মাতার নাম,মোছাঃ নারর্গিস পারভিন এর নামে অভিযোগ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও অনলাইনে বিভিন্ন প্রবাসীকে প্রেমের ফাদে ফেলে বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ছলাকলা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন লাখপতি।
সাতক্ষীরার সৌদিআরব প্রবাসী মো: আলামীন অভিযোগ করে বলেন, এই রিতু খাতুন আমার সাথে বিভিন্ন আইডি দিয়ে দির্ঘদিন ধরে প্রেম করেছে, একটা পর্যায়ে আমরা বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিলে, রিতু খাতুন তখন স্বার্নালঙ্কর ও জমি কেনার কথা বলে আমার কাছ থেকে সাত লক্ষ টাকা নেয় এবং টাকা নেবার পরেই আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি রিতুকে বিভিন্ন ভাবে টাকা দিয়েছি বিকাশ,নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে যার সকল তথ্য প্রমান আমার কাছে রয়েছে। আমি রিতুর ছলাকলা বুঝতে পারিনি, সে যে একটা প্রতারক তা আমার ধারণার বাইরে ছিলো।
আমার মতো আরো অনেকের সাথেই হয়ত এই প্রতারক রিতু খাতুন প্রতারণা করেছে। আমার টাকা পয়সা সব নিয়ে এখন আমাকে পথে বসিয়েছে, আমার টাকা পয়সা সব ফেরত চাই,আমার সাথে হওয়া প্রতারণার বিচার চাই।
এছাড়াও ভুক্তভোগী প্রবাসী আলামীন জানান আমার টাকা তুলে দেবার দ্বায়িত্ব নিয়েছিলো হরিনাকুন্ডুর কিছু মানুষ কিন্তু তারাও এখন ওদের লোক হয়েগেছে।
প্রবাসী আলামীনের অভিযোগ সাপেক্ষে হরিনাকুন্ডুর হরিশপুর গ্রামের রিতু খাতুনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
বর্তমানে প্রায় দেখা যায় অনলাইনে প্রাবাসীদের সাথে এরকম প্রতারনার ঘটনা ঘটতে, এই সকল মেয়েরা মুলত সিন্ডিকেট হয়ে ইমো,ম্যাসেঞ্জার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরকম প্রতারণা করে থাকে তাই অনতিবিলম্বে হরিনাকুন্ডুর হরিশপুর গ্রামের রিতু খাতুনকে গ্রেফতার করে প্রবাসী আলামীনের টাকা ফেরত দেবার ব্যাবস্থা করা হোক।
প্রবাসী আলামীন সুবিচার পাবার আশায়, ঝিনাইদহের পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন