
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, "আইন পেশা আমাদের অধিকার। স্বৈরাচারী আমলে নির্ধারিত ফি এখনও বহাল রয়েছে, যা অযৌক্তিক। ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বার কাউন্সিল ও বিজেএসের এনরোলমেন্ট ফি কমাতে হবে। আবেদন ফি না কমালে আমরা পরীক্ষা বয়কট করবো। পাশাপাশি বিজেএস ভাইভাতে উত্তীর্ণদের জন্য বিসিএসের মতো নন-ক্যাডার চালু করতে হবে।"
সাইফুল ইসলাম, আইন অনুষদের এক শিক্ষার্থী বলেন, "বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফি প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা, আর বিজেএস পরীক্ষার ফি ১,২০০ টাকা—যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। অনেক শিক্ষার্থী টিউশন ও পার্টটাইম চাকরি করে পড়াশোনার খরচ চালান। এই উচ্চ ফি বৈষম্যমূলক। ফি কমানো না হলে আমরা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাব এবং প্রয়োজনে বার কাউন্সিল ঘেরাও করবো।"
আরেক শিক্ষার্থী মোশতাক আহমেদ সন্তু বলেন, "আমরা বার কাউন্সিল ও বিজেএসের পরীক্ষার ফি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক মনে করছি। অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফি ২০০ টাকার মধ্যে রাখতে হবে। বিজেএস পরীক্ষার রিটেন ও ভাইভার নম্বর প্রকাশ করতে হবে এবং নন-ক্যাডার চালু করে সাব-রেজিস্ট্রার, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।"
শিক্ষার্থী নিপা রাণী বলেন, "অনেক শিক্ষার্থী টিউশন করে ও পার্টটাইম চাকরি করে পড়াশোনা চালান। চার হাজার টাকা দিয়ে পরীক্ষায় বসা আমাদের জন্য অনেক কঠিন। এই অতিরিক্ত ফি বৈষম্যমূলক। বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ও বিজেএসের ফি অবিলম্বে কমিয়ে ২০০ টাকার মধ্যে আনতে হবে।"
[quads id=4]
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বার কাউন্সিল ও বিজেএসের এনরোলমেন্ট ফি অবিলম্বে কমাতে হবে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যদি দাবি না মানা হয়, তাহলে আমরা পরীক্ষা বয়কটসহ কঠোর আন্দোলনে যাবো।"