
এলাকাবাসী জানায়, সোহার খামার গ্রামের জামে মসজিদের শিক্ষানুরাগী যুবকদের অর্থায়নে একটি হিফজ মাদ্রাসা চালু করে। রফিকুল জোরপূর্বক মসজিদ ও মাদ্রাসার সভাপতি দাবি করে। শিক্ষিত যুবকরা তার এই অবৈধ কমিটি মানতে অস্বীকার করায় সে আমাদের গ্রামের যুবকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে।
দখল নিতে ব্যর্থ হয়ে এলাকার শিক্ষিত যুবকদের নামে ৪ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজির একটি মিথ্যা মামলা (সিআর মামলা নং- ২২২/২৪) দায়ের করে, যা বর্তমানে পিবিআই তদন্তাধীন। মামলায় উদ্দেশ্য হাসিল না হওয়ায় রফিক কাপড়িয়া ও তার গ্যাং শফিকুল ইসলাম বাবু, মোস্তফা লালু এবং জিয়াউরকে গত ১১/১০/২০২৪ খ্রি. তারিখে দিবাগত রাতে হাঁসুয়া ও ছোরা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যার চেষ্টা করে। আহতদের দিনাজপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়না। গত ০৭/০৪/২০২৫ তারিখে আবার গ্রামবাসীর চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং শফিকুল ইসলাম বাবু'র কর্মচারী রাকিবকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে রফিকুলের বাড়িতে আটক রেখে মারপিট করে টাকা কেড়ে নেয় এবং খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে এবং নির্যাতন করে। রাকিবের গলায় হাঁসুয়া দিয়ে কিছু অংশ কেটে দেয়। ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার পর হরিপুর থানা পুলিশ রাকিবকে রফিক কাপড়িয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে।
সম্প্রতি রফিকুলের পা ভেঙ্গে যায়। কিভাবে তার পা ভেঙ্গেছে সে বিষয়ে গ্রামবাসী তথ্য দিতে পারেননি। তবে লোক মুখে শোনা কথা, মটরবাইকে এক্সিডেন্টে পা ভেঙ্গেছে। দায়ভার গ্রামের মানুষের উপর চাপানোর অভিযোগ করেছে গ্রামবাসী।
মামলা-হামলায় ঘরছাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমান, জাহির, শফিকুল ইসলাম বাবু।
হামলা-মামলার করে মাদ্রাসা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে।
ভুক্তভোগী জিয়াউর রহমান বলেন, মানুষের জমি জাল দলীল বানিয়ে মামলা-হামলা করে অনেক মানুষকে সে হয়রানি করেছে। লখড়া, সোহার পশ্চিম পাড়া, সোহার পূর্ব পাড়াসহ অনেক মানুষ তার হামলা মামলায় অতিষ্ট। জাল দলীল, সংগঠিত লাঠিয়াল বাহিনী এবং মিথ্যা মামলা তার অস্ত্র। এরই ধারাবাহিকতায় সে আমাদের শিক্ষিত যুবকদের পেছনে লেগেছে। আমাদের হয়রানি করার জন্য আমাদের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা, মিথ্যা ডাকাতি মামলা সহ কয়েকটি মিথ্যা মামলা করেছে। লাগাতার হুমকি দিয়ে চলেছে। তার গ্যাং এর কবল থেকে শিক্ষিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দায়িত্বশীলদের জোর দাবি জানাচ্ছি।