
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি থেকে জানানো হয়, শুক্রবার (২৪ মে) কুকুরটি মারা গেছে বলে জানিয়েছে মালিক আতসুকো সাতো। তিনি পেশায় একজন কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক।
কুকুরটি লিউকেমিয়া এবং যকৃতের রোগে ভুগছিল। কুকুরটির বয়স ১৮ বছর হয়েছিল বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২৪ মে) আতসুকো তার ব্লগে একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘আমি তাকে আদর করার সময় সে চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়েছিল। আমি মনে করি, ও বিশ্বের সবচেয়ে সুখী কুকুর ছিল এবং আমি সবচেয়ে সুখী মালিক ছিলাম।
কাবোসুর মুখ অসংখ্য সামাজিক পোস্টে প্রদর্শিত হয়েছে। এমনকি ২০২১ সালে ৪ মিলিয়ন ডলারে তার পোজ দেওয়া ছবিটি বিক্রি হয়েছিল। একপর্যায়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি ডজিকয়েনের প্রচারে ব্যবহার শুরু হয় কুকুরটির। এরপর কুকুরটিই হয়ে ওঠে ডজিকয়েনের প্রতীক।
কুকুরটির মৃত্যুর খবরে ডজিকয়েনও মর্মাহত। তারা সমবেদনা জানিয়ে লিখেছে,‘কাবোসু আমাদের সবার বন্ধু এবং অনুপ্রেরণা। সে কেবল সুখ ও সীমাহীন ভালোবাসা বুঝত। বিশ্বজুড়ে কুকুরটির প্রভাব অপরিমেয়। ’
২০০৮ সাল থেকে কাবোসুকে লালনপালন শুরু করে আতসুকো সাতো। শিবা ইনু প্রজাতিটি পৃথিবীতে অন্যতম প্রাচীন কুকুর প্রজাতির একটি ধরা হয়।
কাবুসোর মালিক ব্লগ পোস্টে জানান, আগামী ২৬ মে জাপানের নারিতা শহরে একটি বিদায়ী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন তিনি।