
সভায় বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আলম ভুঁইয়া, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের সহ-সভাপতি মকিব হোসেন, শান্ত সরকারের পিতা জসিম উদ্দিন সরকার, মা কোহিনুর বেগম, সমাজ সেবক শাহীন সরকার, যুবদল নেতা আব্দুল হাকিম ফকির ও মামলার বাদী ছালাউদ্দিন সরকার।
সকাল সাড়ে ৯টায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা ঢাকা বাইপাস সড়কের কালনী মাঝিপাড়া এলাকা অবরোধ করে। এসময় সড়কের উভয় দিকে পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা হত্যাকারীদের গ্রেফতারের আশা ব্যক্ত করলে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
এ দিকে বেলা ১১টায় শান্ত সরকারের জানাযার নামাজের মাঠে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বক্তব্য রাখেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শরীফ আহম্মেদ টুটুল, ভার্চুয়ালে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান।
উল্লেখ্য গত ১১এপ্রিল দাউদপুরের জিন্দা এলাকায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার পথে হিরনাল আলহাদী শাহ মাজারের পাশে শান্ত সরকার সন্ত্রাসীদের কবলে পড়ে। গত ২১এপ্রিল সোমবার শান্ত সরকারের মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে শান্ত সরকারের চাচা ছালাউদ্দিন সরকার বাদী হয়ে ১৮জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরো ৭/৮জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
রূপগঞ্জ থানা ওসি লিয়াকত আলী বলেন, শান্ত সরকারের হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। সন্ত্রাসীরা যতই প্রভাবশালীই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।