
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ জুলাই (বুধবার) গভীর রাতে একদল সশ/স্ত্র ডা/কাত দল মাইক্রোবাসযোগে ইদিলপুর ইউনিয়নের মৃত রাখাল চন্দ্র শীলের (ডিমো) ছেলে মানিক চন্দ্র শীলের বাড়িতে হা/মলা চালায়। ডা/কাতরা বাড়ির সদস্যদের হাত-পা বেঁ/ধে শারীরিক নি/র্যাতন করে এবং প্রা/ণ না/শের হু/মকি দিয়ে টানা দুই ঘণ্টা তা/ণ্ডব চালায়।
এ সময় তারা নগদ অর্থ, প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার, মালামাল, একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল ও কয়েকটি মোবাইল ফোন লু/ট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানান, ডা/কাত দল তাদের হু/মকি দিয়েছে যেন তারা পুলিশের কাছে না যায়। ভয়ভীতির কারণে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মাম/লা না হলেও একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
উক্ত মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষা ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। উপস্থিত ছিলেন
- সাদুল্লাপুর
ছাত্রশিবির সভাপতি মোঃ মোসফেকুর প্রামানিক
ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান
বাজার কমিটির সভাপতি হেলাল মিয়া ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম
শিক্ষক রাজ্জাক মাস্টার, আশরাফুল মাস্টার
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য রতন মাস্টার, শাহজাহান ঘটক
স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
বক্তারা বলেন, “এলাকায় দিনের পর দিন চু/রি-ডা/কাতি বেড়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এমনকি ভুক্তভোগীরা ডা/কাতদের হু/মকির কারণে মামলা করতে সাহস পাচ্ছেন না।”
তারা প্রশাসনের প্রতি জড়িতদের দ্রুত গ্রে/প্তার, সুষ্ঠু তদ/ন্ত, এলাকায় রাত্রীকালীন টহল বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন,
“ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে আমি নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। অভিযোগ না পেলেও তদন্ত কার্যক্রম চলছে এবং আমরা আশা করছি, দ্রুতই অপরাধীদের গ্রে/প্তার করা সম্ভব হবে।”
উল্লেখ্য, ইদিলপুর ইউনিয়নে বিগত কয়েক সপ্তাহে একাধিক চু/রি ও ছি/নতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকাবাসীকে গভীর উদ্বেগে ফেলেছে। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে।