
জানা যায়, সকালবেলা স্থানীয়রা একটি প্রাণী দেখে আতঙ্কিত হয়ে সেটিকে সান্ডা ভেবে ধরে ফেলেন এবং গোয়ালঘরে আটকে রাখেন। প্রাণীটি দেখতে সান্ডার মতো হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং এলাকার মানুষ আতঙ্কে পড়ে।
ঘটনার খবর পৌঁছায় ওয়াইল্ডলাইফ স্ন্যাক অ্যান্ড রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ-এর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহেলের কাছে। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত লোকজনকে প্রাণীটির প্রকৃত পরিচয় জানান ও বিভ্রান্তি দূর করেন। এরপর গুইসাপটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়।
মাহমুদুল হাসান সোহেল বলেন, গুইসাপ পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। এটি সান্ডা নয় এবং মানুষের কোনো ক্ষতি করে না। তাই কেউ এ ধরনের প্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগ বা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
স্থানীয়রা ওয়াইল্ডলাইফ স্ন্যাক অ্যান্ড রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ-এর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং ভবিষ্যতে সচেতন থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ‘সান্ডা’ নিয়ে নানা গুজব ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় সেই আলোচনার রেশও স্পষ্টভাবে দেখা গেছে স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়ায়।