
দলের একটি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া ২০১৫ সালে যখন লন্ডনে ঈদুল আজহা উদযাপন করেন, তখনও তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানরা সঙ্গে ছিলেন।
ছিলেন ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী-সন্তানরাও। কোকোর মৃত্যুর পর সেটি ছিল জিয়া পরিবারের জন্য এক দুঃসহ স্মৃতিময় ঈদ।
গত কয়েক বছরের তুলনায় এখন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বেশ ভালো। তাই পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবারের ঈদ জিয়া পরিবারের জন্য অন্য রকম হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ঈদ মানে পরিবারের সঙ্গে উদযাপন। আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে তা হয়নি। এবার জিয়া পরিবার একসঙ্গে ঈদ করবে, সেটা দেশবাসী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্যও আনন্দের বিষয়।
দলের নেতারা জানান, খালেদা জিয়া ঈদের পর বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এপ্রিলে তাঁর দেশে ফেরার কথা হচ্ছে। লন্ডনে যাওয়ার সময় কাতার সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স সরবরাহ করেছিল ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর খালেদা জিয়া এবং তাঁর দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান গ্রেপ্তার হন। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান জামিনে মুক্তি পান। ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান।
সেই থেকে তিনি পরিবার নিয়ে লন্ডনে অবস্থান করছেন। ওই সময় আরাফাত রহমান প্যারোলে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য প্রথমে থাইল্যান্ডে যান। পরবর্তী সময় সেখান থেকে তিনি সপরিবারে মালয়েশিয়া চলে যান। সেখানে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান মারা যান। এরপর ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া লন্ডন যান। সেখানে তারেক রহমানের বাসায় তাঁরা ঈদ উদযাপন করেন।