
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এ যাত্রা উদ্বোধন করা হয়। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় অবস্থানের মাধ্যমে এ পদযাত্রা সমাপ্ত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো শহীদুল হক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর ড. মো আব্দুল আলীম, রোভার স্কাউট লিডার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞানের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. শায়লা শারমিন, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ড. মো নাজমুল হকসহ বিভিন্ন স্তরে রোভারবৃন্দ। সার্বিক তত্বাবধায়নে ছিলেন গ্রুপ রোভার স্কাউট লিডার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম।
জানা যায়, রোভারিংয়ের সর্বোচ্চ সম্মান এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনের একটি ধাপ হলো “পরিভ্রমণকারী ব্যাজ”। এটি অর্জনের জন্য রোভারদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পায়ে হেঁটে ১৫০ কিমি, বা সাইকেলযোগে ৫০০ কিমি, অথবা নৌকাযোগে ২৫০ কিমি ভ্রমণ করতে হয়।
এই লক্ষ্য পূরণে বাকৃবির রোভার স্কাউট গ্রুপের দুই ইউনিটের মধ্যে ছেলেদের তিন সদস্যের রোভার দলে রয়েছেন সাগর আল হাসান, মোহাম্মদ এবং মো. ফুয়াদ হাসান। অপরদিকে, চার সদস্যের গার্ল-ইন রোভার দলে রয়েছেন সাবরিনা আখতার সুসমিতা, আইরিন রহমান প্রমি, উম্মে খাদিজা জাহান চৌধুরী লিয়া ও সামিয়া রহমান পুষ্পিতা। বাকৃবি ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া তাদের পাঁচ দিনের এই পরিভ্রমণ নির্ধারিত রুট হলো গফরগাঁও, কিশোরগঞ্জ, নান্দাইল ও ঈশ্বরগঞ্জ হয়ে শেষ হবে মুক্তাগাছায়।
এসময় রোভার স্কাউট লিডার কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম বলেন, 'পিআরএস আওয়ার্ড অর্জন প্রতিটি রোভারের স্বপ্ন। এবছর দেশে মোট পাঁচজন রোভার এই মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন, যার মধ্যে বাকৃবি একজন রয়েছেন। এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বড় অর্জন ও গর্বের বিষয়।'
তিনি আরও বলেন, 'আশা করি রোভার স্কাউটিংয়ের আন্দোলনকে তোমারা এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি তোমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে উজ্জ্বল করবে। স্কাউটিংয়ের আইন, প্রতিজ্ঞা তোমাদের বাস্তব জীবনে ধারণ করবে, লালন করবে।'
উল্লেখ্য, এই পরিভ্রমণের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ব্যাজ অর্জন নয়; বরং এটি রোভারদের শারীরিক সক্ষমতা, ধৈর্য, এবং একতার নিদর্শন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।