
দিনাজপুর প্রতিনিধি
আগামী ৩ ডিসেম্বর রংপুরে সমমনা ৮ ইসলামী দলের উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় মহাসমাবেশকে সফল ও স্মরণীয় করে তুলতে দিনাজপুরের ইসলামী সংগঠনগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভায় অংশ নেন।
গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, পাহাড়পুরস্থ দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণকারী নেতারা মহাসমাবেশের প্রস্তুতি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, ময়দানভিত্তিক সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদারসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন—
দিনাজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, দিনাজপুর জেলা (উত্তর) সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা সোহরাব হোসাইন।
জেলা সেক্রেটারি মুফতি খায়রুজ্জামান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, দিনাজপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আমিরুল ইসলাম।
সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জোবায়ের সাঈদ।
দিনাজপুর শহর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা সিরাজুস সালেহীন।
শহর সেক্রেটারি কামরুল হাসান রাসেল।
দিনাজপুর সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মেহরাব আলী।
ইসলামী যুব আন্দোলন, দিনাজপুর জেলা (উত্তর) সভাপতি মাসুদ রানা।
ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, দিনাজপুর জেলা (উত্তর) সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি মোঃ ফারহান আফসার। এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মহাসমাবেশ সফল করতে একযোগে কাজের অঙ্গীকার_
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন ব্যবস্থার বৈষম্য এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্নে পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এখন সময়ের দাবি। এই দাবি বাস্তবায়নে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দিনের পর দিন মাঠে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে সমমনা ইসলামী দলগুলো।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ একমত হয়ে বলেন—
আটটি ইসলামী দল ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
রংপুর বিভাগীয় মহাসমাবেশকে শক্তিশালী ও শান্তিপূর্ণ করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
জেলার প্রতিটি উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিট পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে।
সাধারণ মানুষের মাঝে গণজাগরণ সৃষ্টি এবং মহাসমাবেশে ব্যাপক জনসমাগমের জন্য সমন্বিত প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে রংপুরের মহাসমাবেশ হবে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তারা বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, আট ইসলামী দলের এই ঐক্য ভবিষ্যতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও শক্তিশালী করবে।
সভা শেষে মহাসমাবেশ সফল করতে বিভিন্ন দায়িত্ব বণ্টন, মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে যোগাযোগ, পরিবহন ব্যবস্থা, প্রচারণা কার্যক্রম ও সমাবেশ-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বাস্তবধর্মী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।