৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবি থানা স্বস্থানে রাখার দাবিতে মানববন্ধন দ্রুত সমাধান না হলে কড়া হুঁশিয়ারি

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০১:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৪০
ইবি থানা স্বস্থানে রাখার দাবিতে মানববন্ধন দ্রুত সমাধান না হলে কড়া হুঁশিয়ারি

ইবি থানা স্বস্থানে রাখার দাবিতে মানববন্ধন দ্রুত সমাধান না হলে কড়া হুঁশিয়ারি ইবি প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পার্শ্ববর্তী ইবি থানা স্থানান্তর না করার দাবিতে ‘ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা। শনিবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশে প্রায় কয়েক হাজার লোকের সমাগম হয়। এ কর্মসূচির সাথে একাত্মতা পোষণ করে আশেপাশের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট সাময়িক বন্ধ রাখে । জানা যায়,গত ৪ আগস্ট ২০২৪ খ্রিস্টাব্দে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যের আলোকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সন্নিকটে দেখিয়ে ১৬ কিলোমিটার দূরের ঝাউদিয়াতে এ থানা স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকার মানুষের সম্মতি আছে বলেও অবৈধ সরকারের হাতে-গোনা কিছু দোসর নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মন্ত্রণালয়কে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেয়। রক্তক্ষয়ী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের পর অবৈধ সরকারের সে আদেশের প্রতিবাদে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। থানা স্থানান্তরের বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রকৃত সত্যের আলোকে সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানিয়েছে। সে অনুযায়ী কার্যক্রম চলছে বলে জানায় ছাত্র জনতা। এদিকে মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তাদের দাবি, সম্প্রতি পতিত সরকারের সুবিধাভোগীরা ঝাউদিয়ায় থানা উদ্বোধনের জন্য সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ত্রাস সৃষ্টি করেছে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে এবং এ অঞ্চলের মানুষ ও গৌরবময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে ইবি থানা ইবিতেই রাখতে মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এলাকাবাসীরা জানান, দাবি এক দফা এক ইবি থানা ইবিতেই থাক। আমরা কোনো ষড়যন্ত্র মানব না। এই গৌরবোজ্জ্বল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। সফলও হয়েছি। আমরা বলতে চাই, ইবি থানা এখানে রাখতে যত আন্দোলন সংগ্রাম করা দরকার তা করে যাব। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সামনের কাতারে থেকে রক্ত দিব। তারপরও ইবি থানা স্থানান্তর করতে দিব না। শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাসকে সুরক্ষিত রাখতে হলে, ইবি থানাকে তার পূর্বাবস্থায় বহাল রাখার কোনো বিকল্প নেই। স্বভাবতই, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে এবং বিনাইদহ সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এলকাটি দুর্গম এবং নিরাপত্তাজনিত সংকটে রয়েছে। অতএব, ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বার্থান্বেষী মহলের এক তরফা সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা বহাল রাখার জন্য অনুরোধ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের দাবি, ঝাউদিয়ার নিরাপত্তার স্বার্থে ওখানে আরেকটা থানা, উপজেলা, ক্যান্টনমেন্ট বানিয়ে দিক। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ হাজার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইবি থানা ইবিতেই থাকবে। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র চলবে না। ইবি থানা ইবিতে রাখার জন্য শিক্ষার্থীরাই যথেষ্ট। ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুবকর সিদ্দীক বলেন, আমরা চাই বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে দ্রুত একটা তদন্ত হোক। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই থানা প্রতিষ্ঠিত। প্রায় ২৬ বছর কাজ করে যাচ্ছে এই থানার অধীনে কিন্তু কেনো যৌক্তিক কারণ না দেখিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের একটা স্বার্থান্বেষী মহল স্থানান্তর করার পায়তারা করে যাচ্ছে। আমরা এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত এই থানা স্থানান্তর করতে দিব না। ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হাসান বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাবেক এমপি হানিফকে ঝাউদিয়ার কয়েকজন নেতৃপর্যায়ের লোক ঝাউদিয়া ইবির সন্নিকটে বলে প্রতারণামূলক স্বাক্ষর করায় নেয়। যা মিথ্যা ও তথ্য গোপন রেখে এমন কাজ করেছে। আমরা চাই ইবি থানা ইবিতে থাকুক। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ও প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ বলেন,আপনাদের এ বিষয়ে আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমরা এস পি স্যারকে একটি পরামর্শ দিবো যে পুলিশ সদসদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে ।বাস্তবতার নিরিখে এ কমিটি-আপনারা বলেছেন যেটা, যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থানাটা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে থাক অথবা হাইওয়ে সংলগ্ন কোন জায়গাতে হোক। আর আপনারা যেটা বলেছেন এবং তারা যেটা বলেছে এ বিষয়ে উভায় পক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনা করে এই এলাকার মানুষের জন্য যেটা মঙ্গল হয় সেই অনুযায়ী কাজ করবে। আর এই এলাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ইসলামী বিশ্ববিদালয় সেদিকে তো আমাদের লক্ষ রাখতে হবে।অতএব আপনাদের উচিত রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইবি থানা ইবিতেই থাকতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। প্রয়োজনে ঝাউদিয়াবাসী সরকারের কাছ থেকে ৪-৫ টা থানা নিয়ে আনলেও আমাদের আপত্তি নাই।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ইবি থানা স্বস্থানে রাখার দাবিতে মানববন্ধন দ্রুত সমাধান না হলে কড়া হুঁশিয়ারি

সময়: ০১:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
ইবি থানা স্বস্থানে রাখার দাবিতে মানববন্ধন দ্রুত সমাধান না হলে কড়া হুঁশিয়ারিইবি থানা স্বস্থানে রাখার দাবিতে মানববন্ধন দ্রুত সমাধান না হলে কড়া হুঁশিয়ারি ইবি প্রতিনিধি: শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পার্শ্ববর্তী ইবি থানা স্থানান্তর না করার দাবিতে ‘ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা। শনিবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশে প্রায় কয়েক হাজার লোকের সমাগম হয়। এ কর্মসূচির সাথে একাত্মতা পোষণ করে আশেপাশের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট সাময়িক বন্ধ রাখে । জানা যায়,গত ৪ আগস্ট ২০২৪ খ্রিস্টাব্দে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যের আলোকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সন্নিকটে দেখিয়ে ১৬ কিলোমিটার দূরের ঝাউদিয়াতে এ থানা স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকার মানুষের সম্মতি আছে বলেও অবৈধ সরকারের হাতে-গোনা কিছু দোসর নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মন্ত্রণালয়কে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেয়। রক্তক্ষয়ী ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের পর অবৈধ সরকারের সে আদেশের প্রতিবাদে তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। থানা স্থানান্তরের বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রকৃত সত্যের আলোকে সিদ্ধান্ত নিতে আহ্বান জানিয়েছে। সে অনুযায়ী কার্যক্রম চলছে বলে জানায় ছাত্র জনতা। এদিকে মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তাদের দাবি, সম্প্রতি পতিত সরকারের সুবিধাভোগীরা ঝাউদিয়ায় থানা উদ্বোধনের জন্য সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ত্রাস সৃষ্টি করেছে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে এবং এ অঞ্চলের মানুষ ও গৌরবময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে ইবি থানা ইবিতেই রাখতে মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এলাকাবাসীরা জানান, দাবি এক দফা এক ইবি থানা ইবিতেই থাক। আমরা কোনো ষড়যন্ত্র মানব না। এই গৌরবোজ্জ্বল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। সফলও হয়েছি। আমরা বলতে চাই, ইবি থানা এখানে রাখতে যত আন্দোলন সংগ্রাম করা দরকার তা করে যাব। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সামনের কাতারে থেকে রক্ত দিব। তারপরও ইবি থানা স্থানান্তর করতে দিব না। শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাসকে সুরক্ষিত রাখতে হলে, ইবি থানাকে তার পূর্বাবস্থায় বহাল রাখার কোনো বিকল্প নেই। স্বভাবতই, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে এবং বিনাইদহ সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এলকাটি দুর্গম এবং নিরাপত্তাজনিত সংকটে রয়েছে। অতএব, ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বার্থান্বেষী মহলের এক তরফা সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা বহাল রাখার জন্য অনুরোধ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের দাবি, ঝাউদিয়ার নিরাপত্তার স্বার্থে ওখানে আরেকটা থানা, উপজেলা, ক্যান্টনমেন্ট বানিয়ে দিক। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ হাজার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইবি থানা ইবিতেই থাকবে। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র চলবে না। ইবি থানা ইবিতে রাখার জন্য শিক্ষার্থীরাই যথেষ্ট। ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবুবকর সিদ্দীক বলেন, আমরা চাই বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে দ্রুত একটা তদন্ত হোক। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই থানা প্রতিষ্ঠিত। প্রায় ২৬ বছর কাজ করে যাচ্ছে এই থানার অধীনে কিন্তু কেনো যৌক্তিক কারণ না দেখিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের একটা স্বার্থান্বেষী মহল স্থানান্তর করার পায়তারা করে যাচ্ছে। আমরা এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত এই থানা স্থানান্তর করতে দিব না। ইবি থানা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হাসান বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাবেক এমপি হানিফকে ঝাউদিয়ার কয়েকজন নেতৃপর্যায়ের লোক ঝাউদিয়া ইবির সন্নিকটে বলে প্রতারণামূলক স্বাক্ষর করায় নেয়। যা মিথ্যা ও তথ্য গোপন রেখে এমন কাজ করেছে। আমরা চাই ইবি থানা ইবিতে থাকুক। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ও প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ বলেন,আপনাদের এ বিষয়ে আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমরা এস পি স্যারকে একটি পরামর্শ দিবো যে পুলিশ সদসদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে ।বাস্তবতার নিরিখে এ কমিটি-আপনারা বলেছেন যেটা, যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থানাটা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে থাক অথবা হাইওয়ে সংলগ্ন কোন জায়গাতে হোক। আর আপনারা যেটা বলেছেন এবং তারা যেটা বলেছে এ বিষয়ে উভায় পক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনা করে এই এলাকার মানুষের জন্য যেটা মঙ্গল হয় সেই অনুযায়ী কাজ করবে। আর এই এলাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ইসলামী বিশ্ববিদালয় সেদিকে তো আমাদের লক্ষ রাখতে হবে।অতএব আপনাদের উচিত রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইবি থানা ইবিতেই থাকতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। প্রয়োজনে ঝাউদিয়াবাসী সরকারের কাছ থেকে ৪-৫ টা থানা নিয়ে আনলেও আমাদের আপত্তি নাই।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.