৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উলিপুরে মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার মাঝেই হট্টগোল

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ১১:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / ১২৩
উলিপুরে মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার মাঝেই হট্টগোল

মোঃশাহজাহান খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের উলিপুরে মসজিদের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাঁধে, যার ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আহত হয় একাধিক ব্যক্তি। থানায় মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

সচেতন মহল মনে করেন, মসজিদের জমি নিয়ে এ বিরোধ শান্তিপুর্ণ সমাধান না হলে ওই এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতীর অবনতির আশংকা রয়েছে ।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান , ১৯৮০ সালে স্থানীয়দের দান ও সহযোগীতায় উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা দালালপাড়া জামে মসজিদের নামে ১ একর ২৫ শতক জমি ক্রয় করা হয়। দলিলে ওই পরিমাণ জমির উল্লেখ থাকলেও ভুল ক্রমে ৪ টি দাগ নম্বর না লিখে ৩টি দাগ নম্বর লিখা হয়। পরবর্তীতে মসজিদের নামে ৯৪ শতক জমি রেকর্ড হওয়ার কথা এলাকায় প্রকাশ হলে বাকি ৩১ শতক জমি মনছুর ব্যাপারী ও এনামুল হক গং এর দখলে আছে বলে দাবী ওঠে। উক্ত জমি মসজিদে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবী জানিয়ে আসছে মসজিদ কমিটি। এ সংক্রান্ত একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তাতে ফলপ্রসু কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো ওই বৈঠক গুলোর কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ তুঙ্গে ওঠে। সর্বশেষ গত শনিবার মসজিদের জমি সংক্রান্ত বৈঠকে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন গত শনিবার পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক হোকডাঙ্গা দালালপাড়া জামে মসজিদের সামনে সালিশ বৈঠকে বসে উভয় পক্ষ। ওই বৈঠকে আলোচনা চলাকালে তর্ক বিতর্কের একপর্যায়ে জমি ভোগদখলকারী পক্ষ মসজিদ কমিটির লোকজনের উপর হামলা চালায়। ওই হামলায় নুর আলম (৫০) সহ কয়েকজন আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য নুর আলমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় নুর আলমের ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে আতিকুল, আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনাম ১০/১১ জনকে আসামী করে উলিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪ তারিখ : ০৫/০৫/২০২৫।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করেন জানান, আসামী গ্রেফতারে অভিযান চলমান।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

উলিপুরে মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার মাঝেই হট্টগোল

সময়: ১১:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
উলিপুরে মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার মাঝেই হট্টগোলমোঃশাহজাহান খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের উলিপুরে মসজিদের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বিরোধ মীমাংসার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাঁধে, যার ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আহত হয় একাধিক ব্যক্তি। থানায় মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। সচেতন মহল মনে করেন, মসজিদের জমি নিয়ে এ বিরোধ শান্তিপুর্ণ সমাধান না হলে ওই এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতীর অবনতির আশংকা রয়েছে ।   স্থানীয় বাসিন্দারা জানান , ১৯৮০ সালে স্থানীয়দের দান ও সহযোগীতায় উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা দালালপাড়া জামে মসজিদের নামে ১ একর ২৫ শতক জমি ক্রয় করা হয়। দলিলে ওই পরিমাণ জমির উল্লেখ থাকলেও ভুল ক্রমে ৪ টি দাগ নম্বর না লিখে ৩টি দাগ নম্বর লিখা হয়। পরবর্তীতে মসজিদের নামে ৯৪ শতক জমি রেকর্ড হওয়ার কথা এলাকায় প্রকাশ হলে বাকি ৩১ শতক জমি মনছুর ব্যাপারী ও এনামুল হক গং এর দখলে আছে বলে দাবী ওঠে। উক্ত জমি মসজিদে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবী জানিয়ে আসছে মসজিদ কমিটি। এ সংক্রান্ত একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তাতে ফলপ্রসু কোনো সমাধান হয়নি। উল্টো ওই বৈঠক গুলোর কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ তুঙ্গে ওঠে। সর্বশেষ গত শনিবার মসজিদের জমি সংক্রান্ত বৈঠকে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন গত শনিবার পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক হোকডাঙ্গা দালালপাড়া জামে মসজিদের সামনে সালিশ বৈঠকে বসে উভয় পক্ষ। ওই বৈঠকে আলোচনা চলাকালে তর্ক বিতর্কের একপর্যায়ে জমি ভোগদখলকারী পক্ষ মসজিদ কমিটির লোকজনের উপর হামলা চালায়। ওই হামলায় নুর আলম (৫০) সহ কয়েকজন আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য নুর আলমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় নুর আলমের ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে আতিকুল, আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনাম ১০/১১ জনকে আসামী করে উলিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪ তারিখ : ০৫/০৫/২০২৫। উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করেন জানান, আসামী গ্রেফতারে অভিযান চলমান।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.