৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে রাতের আঁধারে প্রতিমায় দুর্বৃত্তের আগুন

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৩:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১১৭
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে রাতের আঁধারে প্রতিমায় দুর্বৃত্তের আগুন

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার হামিন্দপুর (কামারপাড়া) এলাকায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নির্মাণাধীন প্রতিমায় অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশসহ সব প্রতিমা ও সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে হামিন্দপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে প্রতিমাগুলো সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মন্দির নিয়ে ক্যাশিয়ার কার্তিক চন্দ্রের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শনিবার তিনি মন্দিরের প্রধান দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে বাধ্য হয়ে মন্দির কমিটি দক্ষিণ পাশে খোলা আকাশের নিচে প্রতিমা নির্মাণ শুরু করে। গত কয়েক দিনে বাঁশ ও খড় দিয়ে তৈরি প্রতিমাগুলোই রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেয়।

মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতি অনুকূল চন্দ্র রনু বলেন, “পরিকল্পিতভাবেই প্রতিমায় আগুন দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কার্তিক চন্দ্রের সম্পৃক্ততা আছে।”

মন্দিরের পাশের বাসিন্দা টুলু বলেন, “দীর্ঘদিনের বিরোধ সমাধানের চেষ্টা হলেও কার্তিক চন্দ্র বারবার বাধা দিয়েছেন। এখন প্রতিমা পুড়ে যাওয়ায় দুর্গাপূজা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।”

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দীন খন্দকার এবং উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী।

ওসি তাজউদ্দীন খন্দকার বলেন, “রাতের আঁধারে প্রতিমায় আগুন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী বলেন, “এই মন্দির নিয়ে পূর্বেও বিরোধ ছিল। সমাধানের চেষ্টা চলছিল। তার আগেই প্রতিমায় আগুন দেওয়া হলো। আমরা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবো।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মন্দিরের ক্যাশিয়ার কার্তিক চন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে রাতের আঁধারে প্রতিমায় দুর্বৃত্তের আগুন

সময়: ০৩:৪৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে রাতের আঁধারে প্রতিমায় দুর্বৃত্তের আগুনগাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার হামিন্দপুর (কামারপাড়া) এলাকায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নির্মাণাধীন প্রতিমায় অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশসহ সব প্রতিমা ও সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে হামিন্দপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে প্রতিমাগুলো সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মন্দির নিয়ে ক্যাশিয়ার কার্তিক চন্দ্রের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শনিবার তিনি মন্দিরের প্রধান দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। পরে বাধ্য হয়ে মন্দির কমিটি দক্ষিণ পাশে খোলা আকাশের নিচে প্রতিমা নির্মাণ শুরু করে। গত কয়েক দিনে বাঁশ ও খড় দিয়ে তৈরি প্রতিমাগুলোই রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেয়। মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতি অনুকূল চন্দ্র রনু বলেন, “পরিকল্পিতভাবেই প্রতিমায় আগুন দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কার্তিক চন্দ্রের সম্পৃক্ততা আছে।” মন্দিরের পাশের বাসিন্দা টুলু বলেন, “দীর্ঘদিনের বিরোধ সমাধানের চেষ্টা হলেও কার্তিক চন্দ্র বারবার বাধা দিয়েছেন। এখন প্রতিমা পুড়ে যাওয়ায় দুর্গাপূজা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।” এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দীন খন্দকার এবং উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী। ওসি তাজউদ্দীন খন্দকার বলেন, “রাতের আঁধারে প্রতিমায় আগুন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।” পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী বলেন, “এই মন্দির নিয়ে পূর্বেও বিরোধ ছিল। সমাধানের চেষ্টা চলছিল। তার আগেই প্রতিমায় আগুন দেওয়া হলো। আমরা দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবো।” তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মন্দিরের ক্যাশিয়ার কার্তিক চন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.