গাজায় যুদ্ধবিরতির কৃতিত্ব নিচ্ছেন ট্রাম্প
- সময়: ০৩:২০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৪১

(আন্তর্জাতিক সংযোগ) –
যুক্তরষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি এবং তার আসন্ন প্রশাসন চাপ সৃষ্টি না করলে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তি কখনো হতো না। ইসরাইলের মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলে যুদ্ধবিরতি চুক্তি আগামী রবিবার থেকে কার্যকর হবে। এতে ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময় সাথে ইসরাইলি জিম্মি বিনিময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির শর্তাবলি চূড়ান্ত করা হবে।
দ্বিতীয় মেয়াদে অভিষেকের চারদিন আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ড্যান বোঙ্গিনো শো’তে ট্রাম্প বলেছেন,যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফসহ তার দলের চাপ ছাড়া আলোচনা কখনোই চূড়ান্ত হতো না। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই চুক্তির সঙ্গে জড়িত না থাকতাম, তাহলে চুক্তি কখনোই হতো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চুক্তির গতিপথ পরিবর্তন করেছি,এবংতা দ্রুতই করেছি। সত্যি বলতে আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে এটা একটা ভাল কাজ।’
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি চুক্তির কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিন্দা করেছেন এবং তাকে ‘অকৃতজ্ঞ’ বলেছেন। ট্রাম্প বলেছেন, ‘তিনি কিছুই করেননি। আমি যদি এটা না করতাম,বা আমরা যদি না জড়াতাম তাহলে জিম্মিরা কখনোই বেরিয়ে আসতে পারবে না।’
চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা শুক্রবার বৈঠকে বসবে। সোমবার ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেকের আগে রবিবার থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হবে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হাজার হাজার রকেট ছুড়ে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৪০০ জন। এরপর বছরের পর বছর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চালানো নিপীড়ন আরও জোরালো করে ইসরায়েলি বাহিনী। সেদিনের পর থেকে চালানো সামরিক অভিযানে প্রাণ হারিয়েছে ৪৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, আহত ছাড়িয়েছে এক লাখ। হতাহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক। তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। কারণ, যেসব মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের তলায় চাপা পড়ে আছে, সেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং গণনার মধ্যেও ধরা হয়নি।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















