৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকির অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ১০:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৭২
চিলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকির অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জানা যায় উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইনসাব আলী নামে ব্যক্তিকে ওই ইউনিয়নের চর খেদাইমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে অপমানজনক কথাবার্তা ও উচিৎ শিক্ষা দেয়ার হুমকি দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু সালেহ সরকার।

এ নিয়ে গত ২৭ আগস্ট ওই বীর মুক্তিযোদ্ধা ঘটনার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইনসাব আলী বলেন, গত ২৪ আগষ্ট চিলমারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু সালেহ সরকারকে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে সদ্য বিলিন হওয়া উত্তর খাউরিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর খাউরিয়ার চর এলাকা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও রৌমারী উপজেলাধীন চর শৌলমারী ইউনিয়নের চর খেদাইমারী গ্রামে অন্য আর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কেন জোর পূর্বক তোলা হয়েছে? কার নির্দেশে চর খেদাইমারীতে উত্তর খাউরিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন? এমন প্রশ্ন করা মাত্র তিনি আমার ওপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হন এবং আমাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে অপমান জনক অনেক কথা বলেন।

আমার এক মেয়ে ও এক ছেলে উত্তর খাউরিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক। তারা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মৌখিক নির্দেশে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদ্বয়ের মৌখিক নির্দেশনা মোতাবেক চিলমারী উপজেলার উত্তর খাউরিয়ার চর গ্রামে বিকল্প ব্যবস্থা করে ছাত্র ছাত্রীদের দ্বিতীয় সাময়িক পরিক্ষা নিচ্ছেন।

এতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাহেব বলেন আপনার ছেলে-মেয়ে চর খেদাইমারীতে তোলা ভবনে পরীক্ষা না নিলে ওদের বেতন বন্ধ করে দিবো, ‘আপনি পাইছেনটা কী? আপনাকে উচিত শিক্ষা দিবো।’ তখন আমি তার কাছে জানতে চাই, চিলমারী উপজেলার স্কুল রৌমারী উপজেলায় জোর পূর্বক তোলাতে আপনার লাভ কী? আপনি তো সরকারি কর্মচারী। আমার এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি আমাকে ভর্ৎসনা করেন। লিখিত অভিযোগের বিষয়টি মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) নিশ্চিত করেছেন ইউএনও মো. রাফিউল আলম। ভুক্তভুগী ওই মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযোদ্ধা পরিচিতি নম্বর ০১৪৯০০০১৩৭৪।

ইউএনও মো. রাফিউল আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু সালেহ সরকার বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনসাব আলী আমার স্কুলের অবসর প্রাপ্ত সাবেক শিক্ষক। উনার সাথে আমার এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

চিলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকির অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

সময়: ১০:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩
চিলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকির অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধেচিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জানা যায় উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইনসাব আলী নামে ব্যক্তিকে ওই ইউনিয়নের চর খেদাইমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে অপমানজনক কথাবার্তা ও উচিৎ শিক্ষা দেয়ার হুমকি দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু সালেহ সরকার। এ নিয়ে গত ২৭ আগস্ট ওই বীর মুক্তিযোদ্ধা ঘটনার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইনসাব আলী বলেন, গত ২৪ আগষ্ট চিলমারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু সালেহ সরকারকে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে সদ্য বিলিন হওয়া উত্তর খাউরিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর খাউরিয়ার চর এলাকা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও রৌমারী উপজেলাধীন চর শৌলমারী ইউনিয়নের চর খেদাইমারী গ্রামে অন্য আর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কেন জোর পূর্বক তোলা হয়েছে? কার নির্দেশে চর খেদাইমারীতে উত্তর খাউরিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন? এমন প্রশ্ন করা মাত্র তিনি আমার ওপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হন এবং আমাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে অপমান জনক অনেক কথা বলেন। আমার এক মেয়ে ও এক ছেলে উত্তর খাউরিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক। তারা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মৌখিক নির্দেশে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদ্বয়ের মৌখিক নির্দেশনা মোতাবেক চিলমারী উপজেলার উত্তর খাউরিয়ার চর গ্রামে বিকল্প ব্যবস্থা করে ছাত্র ছাত্রীদের দ্বিতীয় সাময়িক পরিক্ষা নিচ্ছেন। এতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাহেব বলেন আপনার ছেলে-মেয়ে চর খেদাইমারীতে তোলা ভবনে পরীক্ষা না নিলে ওদের বেতন বন্ধ করে দিবো, ‘আপনি পাইছেনটা কী? আপনাকে উচিত শিক্ষা দিবো।’ তখন আমি তার কাছে জানতে চাই, চিলমারী উপজেলার স্কুল রৌমারী উপজেলায় জোর পূর্বক তোলাতে আপনার লাভ কী? আপনি তো সরকারি কর্মচারী। আমার এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি আমাকে ভর্ৎসনা করেন। লিখিত অভিযোগের বিষয়টি মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) নিশ্চিত করেছেন ইউএনও মো. রাফিউল আলম। ভুক্তভুগী ওই মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিযোদ্ধা পরিচিতি নম্বর ০১৪৯০০০১৩৭৪। ইউএনও মো. রাফিউল আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবু সালেহ সরকার বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনসাব আলী আমার স্কুলের অবসর প্রাপ্ত সাবেক শিক্ষক। উনার সাথে আমার এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.