৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদ্রাসা কমিটি গঠনে ‘গোপনীয়তার’ অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ১১:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৮৫

হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:​ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে খামার ঈদগাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ওঠা ‘গোপনীয়তা ও অনিয়মের’ অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে অএ মাদ্রাসার সুপার মামুনুর রশীদ।

তিনি বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই নিউজ প্রকাশিত করে আমার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতি নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনী তফসিল মেনেই কমিটি গঠনের সকল কাজ স্বচ্ছতা ও বিধিমোতাবেক সম্পন্ন হয়েছে।

​মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী তফসিল মোতাবেক ২৫-২৬-২৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা ও উত্তোলনের তারিখ ছিল।

৩০ নভেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মাদ্রাসার সহকারী সুপার সানাউল্লাহ জানান, শিক্ষক প্রতিনিধিসহ সমস্ত কার্যক্রম যথাযথ নিয়মে এবং সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্পন্ন হয়েছে। নোটিশ টাঙানোর মাধ্যমে অভিভাবকরাও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।

​নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী এলিজা ও তিশাসহ বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত করেছে যে শিক্ষকরা তাদের নির্বাচনের বিষয়ে জানিয়েছিলেন এবং তারা তাদের অভিভাবকদেরও বিষয়টি অবগত করেছেন।

তাদের মতে, কমিটি গঠনের কাজ কোনো গোপনীয়তা ছাড়াই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলছে এবং কোনো অনিয়ম ঘটেনা।

মাদ্রা্সার সুপার মামুনুর রশীদ বলেন,

খামার মাদ্রাসায় আবাদি জমিসমুহ সঠিক নিয়মে লিজ প্রদান করে সেই টাকা দিয়ে মাদ্রাসায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়েছে।

আর গাছ কাটার যে অভিযোগ সেটি মিথ্যা, গাছ দিয়ে মাদ্রাসায় বিভিন্ন আসবাবপত্র পএ বানানো হয়েছে।

আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরও বলেন,বিভিন্ন গণমাধ্যমে যারা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবক হিসেবে তারা অনেকেই অভিভাবক নন এবং তারা কোন দিন তফসিল ঘোষনার পরে মাদ্রাসায় এসে খোঁজ নেন নি।

মাদ্রাসার নোটিশ বোর্ডে তফসিল টাংগানো আছে।তারা কোনদিন এসে না দেখেই মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।

তিনি গোপনে কমিটি করার বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন,আমরা উন্মুক্ত তফসিল করে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করেছি শিক্ষক প্রতিনিধি ও দাতা প্রতিনিধি নির্বাচন করেছি।

মাদ্রাসা সুপার মামুনুর রশীদ বলেন, “আমরা সঠিক নিয়মে শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করেছি। অভিভাবকরাও অবগত ছিলেন বলেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।”

মাদ্রাসার

​ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর (যিনি ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নিয়েছেন) বলেন, তিনি সভাপতি হওয়ার পর মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছেন। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি ‘কুচক্রী মহল’ তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে যে তিনি সুপারের দ্বারা গোপনে কমিটি করছেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়মের বিষয়ে যে নিউজ হয়েছে তা একেবারে মনগড়া ও বানোয়াট।আমরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

আমার ভালো কাজ দেখে কুচক্রী মহল এই গুজব রটাচ্ছে।”

​হরিপুর উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি ও অএ মাদ্রাসার সভাপতি আরও জানান, হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ নিজে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে কার্য সম্পাদনের অনুমতি দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে কাজটি গোপনে হয়নি।আর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সম্পৃক্ততার যে কথা উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিওিহীন, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।

আমরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সবকিছু যথাযথভাবে নিয়ম অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে তফসিল ঘোষনা করেছি।এখানে কোন নিয়মের ব্যতয় ঘটেনি।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদ্রাসা কমিটি গঠনে ‘গোপনীয়তার’ অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

সময়: ১১:৫০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:​ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে খামার ঈদগাহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ওঠা ‘গোপনীয়তা ও অনিয়মের’ অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে অএ মাদ্রাসার সুপার মামুনুর রশীদ। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই নিউজ প্রকাশিত করে আমার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতি নিশ্চিত করেছেন, নির্বাচনী তফসিল মেনেই কমিটি গঠনের সকল কাজ স্বচ্ছতা ও বিধিমোতাবেক সম্পন্ন হয়েছে। ​মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী তফসিল মোতাবেক ২৫-২৬-২৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা ও উত্তোলনের তারিখ ছিল। ৩০ নভেম্বর যাচাই-বাছাই শেষে ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। মাদ্রাসার সহকারী সুপার সানাউল্লাহ জানান, শিক্ষক প্রতিনিধিসহ সমস্ত কার্যক্রম যথাযথ নিয়মে এবং সকলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সম্পন্ন হয়েছে। নোটিশ টাঙানোর মাধ্যমে অভিভাবকরাও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। ​নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী এলিজা ও তিশাসহ বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত করেছে যে শিক্ষকরা তাদের নির্বাচনের বিষয়ে জানিয়েছিলেন এবং তারা তাদের অভিভাবকদেরও বিষয়টি অবগত করেছেন। তাদের মতে, কমিটি গঠনের কাজ কোনো গোপনীয়তা ছাড়াই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে চলছে এবং কোনো অনিয়ম ঘটেনা। মাদ্রা্সার সুপার মামুনুর রশীদ বলেন, খামার মাদ্রাসায় আবাদি জমিসমুহ সঠিক নিয়মে লিজ প্রদান করে সেই টাকা দিয়ে মাদ্রাসায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়েছে। আর গাছ কাটার যে অভিযোগ সেটি মিথ্যা, গাছ দিয়ে মাদ্রাসায় বিভিন্ন আসবাবপত্র পএ বানানো হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি আরও বলেন,বিভিন্ন গণমাধ্যমে যারা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবক হিসেবে তারা অনেকেই অভিভাবক নন এবং তারা কোন দিন তফসিল ঘোষনার পরে মাদ্রাসায় এসে খোঁজ নেন নি। মাদ্রাসার নোটিশ বোর্ডে তফসিল টাংগানো আছে।তারা কোনদিন এসে না দেখেই মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। তিনি গোপনে কমিটি করার বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন,আমরা উন্মুক্ত তফসিল করে নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করেছি শিক্ষক প্রতিনিধি ও দাতা প্রতিনিধি নির্বাচন করেছি। মাদ্রাসা সুপার মামুনুর রশীদ বলেন, “আমরা সঠিক নিয়মে শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করেছি। অভিভাবকরাও অবগত ছিলেন বলেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন।” মাদ্রাসার ​ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর (যিনি ৫ আগস্টের পর দায়িত্ব নিয়েছেন) বলেন, তিনি সভাপতি হওয়ার পর মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছেন। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি ‘কুচক্রী মহল’ তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে যে তিনি সুপারের দ্বারা গোপনে কমিটি করছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়মের বিষয়ে যে নিউজ হয়েছে তা একেবারে মনগড়া ও বানোয়াট।আমরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমার ভালো কাজ দেখে কুচক্রী মহল এই গুজব রটাচ্ছে।” ​হরিপুর উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি ও অএ মাদ্রাসার সভাপতি আরও জানান, হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ নিজে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে কার্য সম্পাদনের অনুমতি দিয়েছেন, যা প্রমাণ করে কাজটি গোপনে হয়নি।আর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সম্পৃক্ততার যে কথা উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিওিহীন, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। আমরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সবকিছু যথাযথভাবে নিয়ম অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে তফসিল ঘোষনা করেছি।এখানে কোন নিয়মের ব্যতয় ঘটেনি।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.