৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাস্টবিন সল্পতায় পাবিপ্রবি

আহসান হাবীব আতিক, পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • সময়: ০৪:২৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / ৫২
ডাস্টবিন সল্পতায় পাবিপ্রবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বহিরাগতদের সমাগম। এমন জায়গায় তাদের ব্যবহৃত উচ্ছিষ্ট ফেলার প্রথম ভরসা ডাস্টবিন । অথচ প্রয়োজনের তুলনায় বিশ্বিবদ্যালয়টিতে ডাস্টবিনের পরিমাণ খুবই কম হওয়ায় প্রতিনিয়ত নোংরা হচ্ছে ক্যাম্পাসটি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী ও একাডেমিক ভবনের সামনে একটি করে স্থায়ী ডাস্টবিন, ক্যাফেটেরিয়ার সামনে একটি এবং মাঠ সংলগ্ন লেকের সাইড ছোট ও মাঝাড়ি চারটি, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সামনে একটি করে ছোট ডাস্টবিন ছাড়া একাডেমিক ভবনে ও এলিভেটরে কোন ডাস্টবিন পাওয়া যায় নি।

এ বিষয়ে মোছাঃ নুরুন্নাহার ইয়াসমিন নুপুর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসের মাঠ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রায় সকল স্থানেই ডাস্টবিনের স্বল্পতা লক্ষনীয়। ফলাফল হিসেবে দেখা যায়, চারপাশে ময়লা পড়ে থাকে, যা অস্বস্তিকর এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করে। মেয়েদের ওয়াশরুমগুলোতেও পর্যাপ্ত ডাস্টবিন নাই, ওয়াশরুমের সামনে কাগজ টিস্যু পেপার পড়ে থাকতে দেখা যায়, এমনকি ওয়াশরুমগুলোর ভেতরে ফ্লোরে টিস্যু পেপার পড়ে থাকে। ক্লাসরুম গুলোতেও ময়লা ফেলার ঝুড়ি না থাকায় মেঝেতে, বারান্দায় অসংখ্য কাগজের টুকরো দেখা যায়। এই সমস্যার দ্রুত নিরসন প্রয়োজন।

আরেক শিক্ষার্থী হৃদয় বলেন, দিন দিন আমাদের ক্যাম্পাস নোংরা বেশি হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় ডাস্টবিন নেই বললেই চলে। আর যেগুলো আছে সেগুলো সব সময় ময়লা আবর্জনা দিয়ে পূর্ণ থাকে। ফলে সবাই ডাস্টবিনের আশেপাশে ময়লা ফেলে৷ পরে আবার সেগুলো বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ক্যাম্পাসে যেগুলো দৃষ্টিকটু দেখায়। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, মাঠে প্রতিদিন বিভিন্ন বিভাগের ও সংগঠনের ইফতার মাহফিল হচ্ছে। ইফতার শেষে ডাস্টবিনের সংকটে ময়লা মাঠের সাইডে জমা করে রাখা হচ্ছে এর ফলে বিভিন্ন ভাবে ময়লা এদিক সেদিকে চলে যাচ্ছে লেকে পড়ে লেকের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট করছে।

এ বিষয়ে এস্টেট শাখার প্রধান ডেপুটি রেজিস্টার সুজা উদ্দিন বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্ট ডাস্টবিন বসানোর চিন্তা ভাবনা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় পৌরসভার বাহিরে হওয়ায় পৌরসভার থেকে সপ্তাহে একদিন ময়লা নিয়ে যাচ্ছে যার কারণে ময়লা আবর্জনা বিভিন্ন জায়গায় জমা হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ডাস্টবিন সল্পতায় পাবিপ্রবি

সময়: ০৪:২৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
ডাস্টবিন সল্পতায় পাবিপ্রবি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বহিরাগতদের সমাগম। এমন জায়গায় তাদের ব্যবহৃত উচ্ছিষ্ট ফেলার প্রথম ভরসা ডাস্টবিন । অথচ প্রয়োজনের তুলনায় বিশ্বিবদ্যালয়টিতে ডাস্টবিনের পরিমাণ খুবই কম হওয়ায় প্রতিনিয়ত নোংরা হচ্ছে ক্যাম্পাসটি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী ও একাডেমিক ভবনের সামনে একটি করে স্থায়ী ডাস্টবিন, ক্যাফেটেরিয়ার সামনে একটি এবং মাঠ সংলগ্ন লেকের সাইড ছোট ও মাঝাড়ি চারটি, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সামনে একটি করে ছোট ডাস্টবিন ছাড়া একাডেমিক ভবনে ও এলিভেটরে কোন ডাস্টবিন পাওয়া যায় নি।

এ বিষয়ে মোছাঃ নুরুন্নাহার ইয়াসমিন নুপুর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসের মাঠ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রায় সকল স্থানেই ডাস্টবিনের স্বল্পতা লক্ষনীয়। ফলাফল হিসেবে দেখা যায়, চারপাশে ময়লা পড়ে থাকে, যা অস্বস্তিকর এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করে। মেয়েদের ওয়াশরুমগুলোতেও পর্যাপ্ত ডাস্টবিন নাই, ওয়াশরুমের সামনে কাগজ টিস্যু পেপার পড়ে থাকতে দেখা যায়, এমনকি ওয়াশরুমগুলোর ভেতরে ফ্লোরে টিস্যু পেপার পড়ে থাকে। ক্লাসরুম গুলোতেও ময়লা ফেলার ঝুড়ি না থাকায় মেঝেতে, বারান্দায় অসংখ্য কাগজের টুকরো দেখা যায়। এই সমস্যার দ্রুত নিরসন প্রয়োজন।

আরেক শিক্ষার্থী হৃদয় বলেন, দিন দিন আমাদের ক্যাম্পাস নোংরা বেশি হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় ডাস্টবিন নেই বললেই চলে। আর যেগুলো আছে সেগুলো সব সময় ময়লা আবর্জনা দিয়ে পূর্ণ থাকে। ফলে সবাই ডাস্টবিনের আশেপাশে ময়লা ফেলে৷ পরে আবার সেগুলো বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ক্যাম্পাসে যেগুলো দৃষ্টিকটু দেখায়। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, মাঠে প্রতিদিন বিভিন্ন বিভাগের ও সংগঠনের ইফতার মাহফিল হচ্ছে। ইফতার শেষে ডাস্টবিনের সংকটে ময়লা মাঠের সাইডে জমা করে রাখা হচ্ছে এর ফলে বিভিন্ন ভাবে ময়লা এদিক সেদিকে চলে যাচ্ছে লেকে পড়ে লেকের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট করছে।

এ বিষয়ে এস্টেট শাখার প্রধান ডেপুটি রেজিস্টার সুজা উদ্দিন বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্ট ডাস্টবিন বসানোর চিন্তা ভাবনা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় পৌরসভার বাহিরে হওয়ায় পৌরসভার থেকে সপ্তাহে একদিন ময়লা নিয়ে যাচ্ছে যার কারণে ময়লা আবর্জনা বিভিন্ন জায়গায় জমা হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.