দেখা নেই সূর্যের, শীতে কাঁপছে লালমনিরহাটের মানুষ
- সময়: ০৩:৪৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
- / ৩৩

আবির হোসেন সজল, লালমনিরহাট :
ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে লালমনিরহাটের জনপদ।
কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ লালমনিরহাটের মানুষ। দিনভর দেখা মিলছে না সূর্যের। ঝরছে বৃষ্টির মতো কুয়াশা। ফলে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।
কুড়িগ্রামের রাজারহাটের কৃষি আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সকাল ৭টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের দাপটে গ্রামাঞ্চলের অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন বাইরে বের হচ্ছে না। ঘন কুয়াশার কারণে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাট-বাজারগুলোতে গরম কাপড় কেনার ধুম পড়েছে। তবে শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে পড়েছে তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীর পাড়ের হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষ।
লালমনিরহাট সদর মেডিকেল অফিসার ডা. আবির বলেন কয়েক দিন আগে শীতের তীব্রতা কম থাকলেও তিনদিন থেকে শীত বেড়েছে। এতে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, ১ মাস ধরে এ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে। চলতি মাসে দিনের তাপমাত্রা আরও কমে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















