নিলক্ষিয়া আর,জে, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ
- সময়: ০৭:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩
- / ৯৫

জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলাধীন নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত নিলক্ষিয়া আর,জে,পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ১৯৩৫ সালে স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অত্র ইউনিয়নের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আব্দুস সাত্তার ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন মো: সুজা উদ্দিন (সুজা)। দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সহিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসলেও বর্তমানে শিক্ষক/কর্মচারি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। তথ্যমতে নিলক্ষিয়া আর,জে,পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখায় দুই (০২) জন প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হয়। ১. কম্পিউটার ডেমোনেস্টেটর ২. কম্পিউটার ল্যাব সহকারী। কম্পিউটার ডেমোনেস্টেটর পদে মো: মামুন সরকার ও ল্যাব সহকারী পদে মো: সুমন মিয়াকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এবং এমপিও তালিকায় তাদের দুজনের পাশাপাশি নাম আসে। প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) বলেন তালিকায় দুই জনের নাম আসছে কিন্তু প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মামুনের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে বিষয়টি অস্বীকার করেন। তালিকায় দেখা যায়,মামুন সরকার ও সুমন মিয়া দুই জনেরই বোর্ড কর্তৃক অভিযোগ আছে। মামুন সরকার এর ক্ষেত্রে অভিযোগে বলা আছে যে,ডিজি প্রতিনিধি পত্র অধিদপ্তর থেকে জারিকৃত নয় এবং সুমন মিয়ার অভিযোগে দেখা যায় সংশ্লিষ্ট ট্রেডে এমপিও ভুক্তির সরকারি আদেশ (জিও) নাই। যাহার পত্রের তারিখ ৩০.০৮.২০২৩ খ্রি:। স্বারক নং-৫৭.০৩.০০০০.০২৮.২২.০১৫.২৩.১০৬৩। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সুজা উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, মামুন সরকার যাহার ট্রেড (কম্পিউটার ডেমোেস্টেটর) এমপিও আবেদন সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।
অপরদিকে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি মোঃ সাত্তার তিনিও মামুনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পক্ষান্তরে মোঃ সুমন মিয়া (ল্যাব সহকারী) ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) তারা দুজনেই একই রকম বক্তব্য পেষ করেন,তারা বলেন মো: সুমন মিয়ার নিয়োগ সম্পুর্ন বৈধ এবং তারা এ ব্যাপারে অবগত আছেন। এদিকে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র অভিভাবক পরিচয় গোপন রেখে বলেন,মোঃ সুমন মিয়ার ট্রেডের যে অনুমতির পত্র দেখানো হয়েছে তাহা কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের কোনো ওয়েবসাইটে নেই।যেখানে এমপিও ভুক্তির সকল অফিস আদেশের কাগজপত্র থাকার কথা।
তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের কমিটি,প্রধান শিক্ষক,জেলা শিক্ষা অফিসার ব্যাতিত তাদের এমপিও কাগজ পত্র কিভাবে অধিদপ্তর পর্যন্ত পৌছালো? নিশ্চই কমিটি,প্রধান শিক্ষক জেলা শিক্ষা অফিসারের যোগসাজশে এমপিও ভুক্তির সকল কাগজ পত্র অধিদপ্তরে পৌছানো হয়েছে,এমনটি ধারনা করছেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি,কতিপয় শিক্ষক, অভিভাবক মহল।যেহেতু নিলক্ষিয়া আর, জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষাত্রে কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে উক্ত পদে থাকা শিক্ষকদের নিয়োগ যাচাই বাছাই করে বিদ্যালয়টি দুর্নীতির কবল হতে মুক্ত করতে হবে।এমনটি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.














