৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে সহকারী প্রধান নিয়োগের খাতা পুর্ণমূল্যায়ন চেয়ে আবেদন

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৮:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৯৭
নীলফামারীতে সহকারী প্রধান নিয়োগের খাতা পুর্ণমূল্যায়ন চেয়ে আবেদন

মোঃসামিউল আলম সায়মন নীলফামারী জেলা প্রতিনিধ ঃ

নীলফামারীতে কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে খাতা পুর্নমূল্যায় চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাত শিক্ষকের প্রতিনিধি আশেকুল ইসলাম।লিখিত অভিযোগের পরে অনেকটা তরিঘরি করে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ সম্পন্ন করেন।তরিঘরি করে নিয়োগ সম্পন্ন করতে গিয়ে নিয়োগ বিধি মানা হয়নি এমন দাবি করেন,লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষকরা।বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হয় গত (২৭/০৯/২৫) ২৭ সেপ্টেম্বর /২৫ ইং নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয় এবং ০৫ অক্টোবর/২৫ ইং শিক্ষা মন্ত্রনালয় অফিস আদেশ দিয়ে নিয়োগ বন্ধের প্রকাশ পায় পত্রিকায় ও টেলিভিশনে।খাতা মূল্যায়নের জন্য ১ম বার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন ০৫ অক্টোবর /২৫ ইং তারিখ। ওই আবেদনের কোন সুরাহা না পাওয়ায় দ্বিতীয় বার আবেদন করেছেন ১৫ অক্টোবর /২৫ ইং তারিখ। বর্তমান নিরপেক্ষ সরকার থাকার পরেও জেলাপ্রশাসক ও জেলা ম্যাজিট্রেটের কাছ কোন প্রতিকার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা।সে সাথে জেলা প্রশাসকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এখানে সব চাইতে মজার বিষয় হচ্ছে, ২৭ সেপ্টেম্বর /২৫ ইং

নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয় সন্ধ্যায়।এখানে মোঃ সামিউল ইসলাম কে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ বোর্ড সুপারিশ করে প্রাপ্ত ফলাফলে ভিত্তিতে ১ ম করে ফল প্রকাশ পায়।
দুহুলী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী বিঞান শিক্ষক ৩০ অক্টোবর / ২৫ ইং চাকুরী থেকে অব্যাহতি পত্র ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মহিকুল ইসলামের কাছে। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অব্যাহতি পত্রটি পাওয়ার পর ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রেজুলেশনসহ অন্য ধাপগুলি বলতে পারেন নাই।এবং কবে রেজুলেশন করে কবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে কোন কিছুই বলতে পারেনি।প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি না নিয়ে সরকারি ছুটির দিনে ০১ অক্টোবর /২৫ ইং তারিখ যোগদান করেছেন,এমনটি জানিয়েছে,নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাদেকুল ইসলাম।দেশব্যাপি শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যে এ ধরনের নিয়োগে হতবাক সচেতন মহল।এ নিয়োগে এমপিও নীতি মালাকে পাশ কাটিয়েছে।ম্যানেজিং কমিটি/ গভর্নিং বডির করণীয় (২.১৯) বিধিতে বলা হয়েছে,রেজুলেশনর মধ্যমে সুপারিশকৃত প্রার্থীদের অনুকুলে রেজিস্ট্রার্ড ডাকযোগে নিয়োগপত্র প্রেরণ আহবান করতে হবে।প্রার্থীর আবেদনে উল্লিখিত মোবাইল নম্বরে নিয়োগের বিষয়টি তাকে অবহিত করতে হবে। বলা থাকলেও বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে অভিযোগকারী।জেলা প্রশাসক ও কালেক্টরেট পাবলিক
স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি নায়িরুজ্জামান বলেছেন বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নীলফামারীতে সহকারী প্রধান নিয়োগের খাতা পুর্ণমূল্যায়ন চেয়ে আবেদন

সময়: ০৮:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
নীলফামারীতে সহকারী প্রধান নিয়োগের খাতা পুর্ণমূল্যায়ন চেয়ে আবেদনমোঃসামিউল আলম সায়মন নীলফামারী জেলা প্রতিনিধ ঃ নীলফামারীতে কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে খাতা পুর্নমূল্যায় চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাত শিক্ষকের প্রতিনিধি আশেকুল ইসলাম।লিখিত অভিযোগের পরে অনেকটা তরিঘরি করে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম সহকারী প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ সম্পন্ন করেন।তরিঘরি করে নিয়োগ সম্পন্ন করতে গিয়ে নিয়োগ বিধি মানা হয়নি এমন দাবি করেন,লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষকরা।বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হয় গত (২৭/০৯/২৫) ২৭ সেপ্টেম্বর /২৫ ইং নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয় এবং ০৫ অক্টোবর/২৫ ইং শিক্ষা মন্ত্রনালয় অফিস আদেশ দিয়ে নিয়োগ বন্ধের প্রকাশ পায় পত্রিকায় ও টেলিভিশনে।খাতা মূল্যায়নের জন্য ১ম বার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন ০৫ অক্টোবর /২৫ ইং তারিখ। ওই আবেদনের কোন সুরাহা না পাওয়ায় দ্বিতীয় বার আবেদন করেছেন ১৫ অক্টোবর /২৫ ইং তারিখ। বর্তমান নিরপেক্ষ সরকার থাকার পরেও জেলাপ্রশাসক ও জেলা ম্যাজিট্রেটের কাছ কোন প্রতিকার না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা।সে সাথে জেলা প্রশাসকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এখানে সব চাইতে মজার বিষয় হচ্ছে, ২৭ সেপ্টেম্বর /২৫ ইং নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয় সন্ধ্যায়।এখানে মোঃ সামিউল ইসলাম কে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ বোর্ড সুপারিশ করে প্রাপ্ত ফলাফলে ভিত্তিতে ১ ম করে ফল প্রকাশ পায়। দুহুলী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী বিঞান শিক্ষক ৩০ অক্টোবর / ২৫ ইং চাকুরী থেকে অব্যাহতি পত্র ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মহিকুল ইসলামের কাছে। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অব্যাহতি পত্রটি পাওয়ার পর ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রেজুলেশনসহ অন্য ধাপগুলি বলতে পারেন নাই।এবং কবে রেজুলেশন করে কবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে কোন কিছুই বলতে পারেনি।প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি না নিয়ে সরকারি ছুটির দিনে ০১ অক্টোবর /২৫ ইং তারিখ যোগদান করেছেন,এমনটি জানিয়েছে,নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব ও স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাদেকুল ইসলাম।দেশব্যাপি শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যে এ ধরনের নিয়োগে হতবাক সচেতন মহল।এ নিয়োগে এমপিও নীতি মালাকে পাশ কাটিয়েছে।ম্যানেজিং কমিটি/ গভর্নিং বডির করণীয় (২.১৯) বিধিতে বলা হয়েছে,রেজুলেশনর মধ্যমে সুপারিশকৃত প্রার্থীদের অনুকুলে রেজিস্ট্রার্ড ডাকযোগে নিয়োগপত্র প্রেরণ আহবান করতে হবে।প্রার্থীর আবেদনে উল্লিখিত মোবাইল নম্বরে নিয়োগের বিষয়টি তাকে অবহিত করতে হবে। বলা থাকলেও বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে অভিযোগকারী।জেলা প্রশাসক ও কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি নায়িরুজ্জামান বলেছেন বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.