৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাসর রাতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ স্বামীসহ গ্রেফতার ৭

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৯:৪১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৮১
বাসর রাতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ স্বামীসহ গ্রেফতার ৭

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক নববধূকে বাসর রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তার স্বামীর আসিফ মিয়ার (২৬) বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। নববধূর ভাই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে এ মামলা করেন। মামলায় আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মামলা সূত্রে পাওয়া গেছে, সাঘাটা উপজেলার ওসমানের পাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলের সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাতে স্বামীসহ আরও চার-পাঁচ জন ওই নারীকে বাসররাতে ধর্ষণ করে। পরে ওই নারী অসুস্থ হলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ভর্তি করানো হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রাম থেকে নববধূর স্বামীসহ সাতজনকে আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার বিকেলে আটকদের সাঘাটা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীসহ সাতজনকে আটক করে পুলিশ। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ৬ জনের এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নারীর স্বামী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদের নিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ করছে বলে মনে হচ্ছে না।

তবে কেন ধর্ষণ মামলা নেওয়া হলো এবং নববধূর স্বামীকে আটক রাখা হচ্ছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অন্য সাংবাদিকরা এত প্রশ্ন করেন না, আপনি যত প্রশ্ন করেন এ বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরবর্তীর তার ব্যবহৃত সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নাই।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাসর রাতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ স্বামীসহ গ্রেফতার ৭

সময়: ০৯:৪১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
বাসর রাতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ স্বামীসহ গ্রেফতার ৭রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক নববধূকে বাসর রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তার স্বামীর আসিফ মিয়ার (২৬) বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। নববধূর ভাই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে এ মামলা করেন। মামলায় আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মামলা সূত্রে পাওয়া গেছে, সাঘাটা উপজেলার ওসমানের পাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলের সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাতে স্বামীসহ আরও চার-পাঁচ জন ওই নারীকে বাসররাতে ধর্ষণ করে। পরে ওই নারী অসুস্থ হলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ভর্তি করানো হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় গত শুক্রবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রাম থেকে নববধূর স্বামীসহ সাতজনকে আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার বিকেলে আটকদের সাঘাটা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীসহ সাতজনকে আটক করে পুলিশ। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ৬ জনের এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই নারীর স্বামী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদের নিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ করছে বলে মনে হচ্ছে না। তবে কেন ধর্ষণ মামলা নেওয়া হলো এবং নববধূর স্বামীকে আটক রাখা হচ্ছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, অন্য সাংবাদিকরা এত প্রশ্ন করেন না, আপনি যত প্রশ্ন করেন এ বলেই তিনি ফোন কেটে দেন। পরবর্তীর তার ব্যবহৃত সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নাই।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.