ভাইরাল শিক্ষক শাহিনের বিরুদ্ধে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মানববন্ধন
- সময়: ০৯:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
- / ৯২

মোঃ রয়িসুল সরকার রোমন,স্টাফ রিপোর্টার:
আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলা মহিষখোচা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম শাহিনের বিরুদ্ধে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন।
গতকাল অধ্যক্ষের রুমে ঢুকে প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম শাহীন নিজের প্যান্টের বেল্ট ও চেইন খুলে অধ্যক্ষকে অশালীন আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর ৩৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ এলাকাবাসী শাহিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন।
জাহাঙ্গীর আলম শাহীনকে সামরিক ভাবে বহিষ্কার করেছেন প্রশাসন। কিন্তু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি স্হায়ী বহিস্কার।প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বলেন, স্যার (প্রভাষক জাহাঙ্গীর) কলেজে আসেন না যদি কোনও সময় আসেন এসে বেতন তুলে চলে যান। ক্লাশ নিলেও ঠিক ভাবে নেয় না। স্যার ক্লাস রুমের সামনে সিগারেট খান। তিনি গতকাল আমাদের অধ্যক্ষ স্যারকে হুমকি সহ বিভিন্ন ভাবে লাঞ্ছিত করেছেন। আমরা জাহাঙ্গীর স্যারের স্থায়ী বহিষ্কার চাই।
প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা এই স্যারের নামে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিযোগ পেয়েছি। তিনি আমাদের সময়ও কখনো ক্লাস নেন নাই। তিনি আমাদের সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতেছে। আমরা তার স্হায়ী বহিষ্কার চাই।
আরো একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোরশেদ মোনজের চৌধুরী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা যখন শুনতে পাই ও ভিডিও দেখতে পাই কলেজের একজন প্রভাষক মাদকাসক্ত চার্জশিট ভুক্ত আসামি, নারি কেলেঙ্কারি এবং অধ্যক্ষ এবং সহকারী শিক্ষকদের শীলতাহানি করছেন তখন আমার ভাই-বোন এলাকার সন্তানেরা এই প্রতিষ্ঠানে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবে। তাই পবিত্র শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা ফিরিয়ে দিতে এই শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করতে হবে।
মহিষখোচা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন সাদ্দাম বলেন, এই কুলাঙ্গার শিক্ষক প্রায় সময় আমাদের মন্ত্রী ও এপিএস মহোদয়ের নামে নানান আজেবাজে স্ট্যাটাস ফেসবুকে দেন এবং গতকালের ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা তাকে মহিষখোচা থেকে অবান্চিত ঘোষণা করলাম।
অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে মেয়েরা কি শিখছে এই প্রতিষ্ঠানে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক যদি হয় ফেন্সিডেল খোর, বিএসএফ এর হাতে আটক
হয়, এই শাহিন চার্জশিট ভুক্ত আসামি। শাহিনের স্হায়ী বহিষ্কার না হলে আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর রাখবো না।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সারোয়ার আলম বলেন, আমার বলার মতো ভাষা আমি হারিয়ে ফেলেছি। আমার প্রতিষ্ঠানের সম্মান আজ এই শাহিনের জন্য নষ্ট হয়েছে। শাহিন গতকাল আমার সাথে যা ব্যাবহার করেছেন তা মুখে বলার মতো না আপনারা সবই জানেন। তার সামরিক বহিষ্কার হয়েছে তবে সবার দাবি তার স্হায়ী বহিষ্কার হোক।
মানববন্ধন শেষে জাহাঙ্গীর আলম শাহীনের ব্যানার আগুন দিয়ে পুড়িয়েছেন এলাকাবাসী।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.














