৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাকে জড়িয়ে মোদিকে কটূক্তি, কংগ্রেস-বিজেপির তুমুল সংঘর্ষ

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৮:৩৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৮০
মাকে জড়িয়ে মোদিকে কটূক্তি, কংগ্রেস-বিজেপির তুমুল সংঘর্ষ

ভারতের রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা চরমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে কংগ্রেসপন্থী এক কর্মীর কটূক্তিকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিহারের রাজধানী পাটনায় কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেসের রাজ্য দপ্তর মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পাশাপাশি, কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও উত্তপ্ত বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপি কর্মীরা।

 

ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে, দরভঙ্গায় কংগ্রেসের এক সমাবেশে। সেখানেই কংগ্রেসের এক কর্মী মঞ্চ থেকে মোদি ও তার মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতেই ওই মন্তব্য হওয়ায় বিজেপির অভিযোগ—তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব থেকেছেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতেই বিজেপি ক্ষোভে ফেটে পড়ে।

 

এর জেরেই শুক্রবার সকালে বিজেপির একটি মিছিল পাটনার সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেসের দপ্তরের সামনে অবস্থান নেয়। মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পতাকা ও লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে পড়ে উভয় দলের কর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং কংগ্রেস দপ্তরের গেটসহ আশপাশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

 

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাটনা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে, একই দিনে কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। সেখানে রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার ছিঁড়ে তা আগুনে পোড়ানো হয়। বিজেপির দাবি, মোদিকে নিয়ে কংগ্রেস কর্মীর অশ্লীল মন্তব্যের জবাবেই এই বিক্ষোভ। তবে কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে, এটি ছিল পরিকল্পিত ভাঙচুর। এ ঘটনায় কলকাতা পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

 

সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর দুই দলই একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি নির্বাচনের আগে ভয় দেখানোর কৌশল নিচ্ছে, আর বিজেপির অভিযোগ—মোদিকে কটূক্তির ঘটনায় কংগ্রেস নেতৃত্ব ইচ্ছাকৃতভাবে চুপ থেকেছে।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মাকে জড়িয়ে মোদিকে কটূক্তি, কংগ্রেস-বিজেপির তুমুল সংঘর্ষ

সময়: ০৮:৩৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
মাকে জড়িয়ে মোদিকে কটূক্তি, কংগ্রেস-বিজেপির তুমুল সংঘর্ষভারতের রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা চরমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে কংগ্রেসপন্থী এক কর্মীর কটূক্তিকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিহারের রাজধানী পাটনায় কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেসের রাজ্য দপ্তর মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পাশাপাশি, কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও উত্তপ্ত বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপি কর্মীরা।   ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে, দরভঙ্গায় কংগ্রেসের এক সমাবেশে। সেখানেই কংগ্রেসের এক কর্মী মঞ্চ থেকে মোদি ও তার মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতেই ওই মন্তব্য হওয়ায় বিজেপির অভিযোগ—তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব থেকেছেন। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতেই বিজেপি ক্ষোভে ফেটে পড়ে।   এর জেরেই শুক্রবার সকালে বিজেপির একটি মিছিল পাটনার সাদাকাত আশ্রমে কংগ্রেসের দপ্তরের সামনে অবস্থান নেয়। মুহূর্তে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পতাকা ও লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে পড়ে উভয় দলের কর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন এবং কংগ্রেস দপ্তরের গেটসহ আশপাশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।   খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পাটনা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   অন্যদিকে, একই দিনে কলকাতার প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরের সামনেও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। সেখানে রাহুল গান্ধীর ছবি ও পোস্টার ছিঁড়ে তা আগুনে পোড়ানো হয়। বিজেপির দাবি, মোদিকে নিয়ে কংগ্রেস কর্মীর অশ্লীল মন্তব্যের জবাবেই এই বিক্ষোভ। তবে কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে, এটি ছিল পরিকল্পিত ভাঙচুর। এ ঘটনায় কলকাতা পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে।   সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর দুই দলই একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে। কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি নির্বাচনের আগে ভয় দেখানোর কৌশল নিচ্ছে, আর বিজেপির অভিযোগ—মোদিকে কটূক্তির ঘটনায় কংগ্রেস নেতৃত্ব ইচ্ছাকৃতভাবে চুপ থেকেছে।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.