৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৯:০৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / ১৫৫
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

আবু ছাইম রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে নয়ন মিয়ার নামের যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১১ জুন) রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা। শনিবার (৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও এখন কোনো সন্ধান মেলেনি ওই শিক্ষার্থীর।
অভিযুক্ত নয়ন মিয়া উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সবুজপাড়া এলাকার জিয়ারুলের ছেলে।
কোনো প্রতিকার না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে ও একই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে অভিযুক্ত নয়ন মিয়াও। গত শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সুতির পাড় এলাকার সেতুতে ওই অভিযুক্তের সঙ্গে তার মেয়েকে বসে থাকতে দেখেন তিনি। তাকে দেখামাত্র স্থানীয় একটি বসতবাড়িতে দু’জনই দৌড় দিয়ে পালায়। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে কেউ আসেনি বলে অস্বীকার করেন মালিক। ওই দিন আর বাড়িতে ফেরেনি ওই শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা আরও বলেন, তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে যান অভিযুক্তের বাড়িতে। তারা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় স্বীকার করেন ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া জন্য এক দিন সময় নেওয়া হয়। পরে তার শিক্ষার্থীকে ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা ও ওই শিক্ষার্থী সম্পর্কে কিছুই জানেন বলে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করছেন অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে নয়ন মিয়া। আমার মেয়েকে ফেরৎ চাই।
প্রত্যক্ষদর্শী মুকুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনার ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে পান রৌমারী বাজার ভোলার মোড়ে। এরপর কোথায় যায় ওই শিক্ষার্থীরা আর বলতে পারেন না তারা।
অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে কথা হয় অভিযুক্তের বাবা জিয়ারুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার ছেলে অপহরণ করেনি। সে বাড়িতে আছে।

রৌমারী থানার ওসি লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ করে ও পরে মিসিং জিডি করা হয়।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

সময়: ০৯:০৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ
আবু ছাইম রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে নয়ন মিয়ার নামের যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১১ জুন) রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা। শনিবার (৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও এখন কোনো সন্ধান মেলেনি ওই শিক্ষার্থীর। অভিযুক্ত নয়ন মিয়া উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সবুজপাড়া এলাকার জিয়ারুলের ছেলে। কোনো প্রতিকার না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে ও একই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে অভিযুক্ত নয়ন মিয়াও। গত শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সুতির পাড় এলাকার সেতুতে ওই অভিযুক্তের সঙ্গে তার মেয়েকে বসে থাকতে দেখেন তিনি। তাকে দেখামাত্র স্থানীয় একটি বসতবাড়িতে দু’জনই দৌড় দিয়ে পালায়। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে কেউ আসেনি বলে অস্বীকার করেন মালিক। ওই দিন আর বাড়িতে ফেরেনি ওই শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা আরও বলেন, তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে যান অভিযুক্তের বাড়িতে। তারা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় স্বীকার করেন ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া জন্য এক দিন সময় নেওয়া হয়। পরে তার শিক্ষার্থীকে ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা ও ওই শিক্ষার্থী সম্পর্কে কিছুই জানেন বলে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করছেন অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে নয়ন মিয়া। আমার মেয়েকে ফেরৎ চাই। প্রত্যক্ষদর্শী মুকুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনার ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে পান রৌমারী বাজার ভোলার মোড়ে। এরপর কোথায় যায় ওই শিক্ষার্থীরা আর বলতে পারেন না তারা। অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কথা হয় অভিযুক্তের বাবা জিয়ারুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার ছেলে অপহরণ করেনি। সে বাড়িতে আছে। রৌমারী থানার ওসি লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ করে ও পরে মিসিং জিডি করা হয়।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.