যবিপ্রবির ফিটনেসবিহীন বাস, সিট খুলে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীর
- সময়: ১১:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ৩৮

ইমরান হোসেন,যবিপ্রবি প্রতিনিধি:যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
(যবিপ্রবি) পরিবহন পুলে ভাড়ায় চলিত ফিটনেসবিহীন বিআরটিসি বাস ও মেরামত না করার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ স্বরূপ বাসের নষ্ট সিট খুলে নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলিজি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিউল আলিম সামি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সামিউলের এ প্রতিবাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ ই নভেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় ভাড়ায় চালিত যবিপ্রবির একটি বিআরটিসি বাস মার্কেট ট্রিপে যশোর শহর থেকে ক্যাম্পাসে আসে। বাসের কিছু সিট নষ্ট থাকায় ও ব্যবহারের প্রায় অনুপযোগীর অভিযোগে বাসের নষ্ট সিটটি তুলে নিয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সামিউল। এমন প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই সামিউলের প্রশংসা করছে ও এমন ফিটনেসবিহীন বাস চলাচলের প্রতিবাদ জানায়।
এ বিষয়ে সামিউল বলেন, টিউশন থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার সময় বাসের একটি সিটে বসে দেখি সিটটি অনেক নড়বড়ে। বাসে যথেষ্ট সিট না থাকায় নড়বড়ে সিটেই বসতে হলো। কিন্তু ভাঙা রাস্তা দিয়ে চলার সময় সিটে বসে থাকতে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। এক পর্যায়ে রাস্তার একটি বিটের উপর দিয়ে বাস যাওয়ার সময় হঠাৎ সিট সহ আমি উপরে উঠে যাই, এতে অল্পের জন্য আমার মাথায় আঘাত লাগেনি। এছাড়া ফিটনেসবিহীন এই বিআরটিসি বাস কোন ভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারযোগ্য হতে পারে না। একে তো বাসের ভিতরে ধুলোবালি দিয়ে একাকার, তার উপর ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় এমন একটি ফিটনেসবিহীন বাস চলাচলের একেবারে অনুপযোগী। প্রশাসনের কি এসব বিষয় দেখার সময় নেই? আমার এই প্রতিবাদ করায় প্রশাসন যদি আমাকে দোষারোপ করে, তবে করুক। আমি যেখানে অন্যায় ও অনিয়ম দেখবো সেখানে প্রতিবাদ করবই।
ফেসবুকে সাদমান ফেরদৌস নামে এক শিক্ষার্থী লিখেন, এমন ফিটনেস বিহিন বাস দেয় যে মাঝে মাঝে রাস্তায় জানালা খুলে পড়ে যায়।
শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান ইমরান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করে বলেন, একদম ঠিক কাজ করেছে সামিউল। আমরা টাকা দেই মুড়ির টিনে করে যাতায়াতের জন্য না।
এ ব্যাপারে সহকারী পরিবহন প্রশাসক হাসান মোঃ নাভিদ আনজুম বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে আমি জানতে পারি যে সামিউল বিআরটিসি বাসের একটি সিট খুলে রুমে নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বরাদ্দকৃত অধিকাংশ বিআরটিসি বাসই বেশ পুরনো যার কারনে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছে। এ কারণে পরিবহন দপ্তর ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ২ অক্টোবর খুলনা ডিপো পরিদর্শন করেও ভালো বাস পাননি। পরে ৭ অক্টোবর অন্য ডিপো থেকে বাস পাওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হলেও এখনো কোনো সাড়া মেলেনি, ফলে অক্টোবরের বিল আমরা স্থগিত রেখেছি। আগামীকাল পরিবহন দপ্তরের সবাই সরেজমিনে গিয়ে বাসগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে বিআরটিসিকে জানাব।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















