৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যবিপ্রবির শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়াকে হুইলচেয়ার প্রদান

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০২:০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৬৩
যবিপ্রবির শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়াকে হুইলচেয়ার প্রদান

ইমরান হোসেন,যবিপ্রবি প্রতিনিধি:যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়া সুলতানাকে হুইলচেয়ার প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীপক কুমার মন্ডল।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.আর. খান মেডিকেল সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীপক কুমার মণ্ডল এ হুইলচেয়ার প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল সেন্টারের সেকশন অফিসার এস. এম. সাজেদুর রহমান, সাজিয়ার মা, মেডিকেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, যবিপ্রবির শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়া সুলতানা দীর্ঘদিন ধরে হুইলচেয়ারের মাধ্যমে চলাফেরা করলেও তার পুরোনো হুইলচেয়ারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চলাচলে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত ছিলেন। এতে তার ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকা ও পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছিল। বিষয়টি জানার পর ডা. দীপক কুমার মণ্ডল নিজ উদ্যোগে নতুন হুইলচেয়ার প্রদানের ব্যবস্থা করেন।

এ বিষয়ে ডা. দীপক কুমার মণ্ডল বলেন, “সাজিয়া সুলতানা আমাদের একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। তার ব্যবহৃত হুইলচেয়ারটি অনেক দিন ধরেই অচল অবস্থায় ছিল। শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো সমাধান করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। তার দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করতে এবং অন্যদের মতো স্বাবলম্বী করে তুলতে এই হুইলচেয়ারটি প্রদান করা হয়েছে।”

নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সাজিয়া সুলতানা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছি। হাঁটাচলার অসুবিধার কারণে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারছিলাম না, ফলে পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছিল। অনেকবার হাঁটার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়েছি, এতে পায়ের সমস্যাও আরও বেড়ে যায়। বিষয়টি আমি ডা. দীপক কুমার স্যারকে জানালে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং আমাকে একটি হুইলচেয়ার উপহার দেন। এর ফলে আমার ক্লাসে যাওয়া-আসা ও দৈনন্দিন চলাফেরা এখন অনেক সহজ হবে বলে আশা করছি।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

যবিপ্রবির শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়াকে হুইলচেয়ার প্রদান

সময়: ০২:০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
যবিপ্রবির শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়াকে হুইলচেয়ার প্রদানইমরান হোসেন,যবিপ্রবি প্রতিনিধি:যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়া সুলতানাকে হুইলচেয়ার প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীপক কুমার মন্ডল। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.আর. খান মেডিকেল সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীপক কুমার মণ্ডল এ হুইলচেয়ার প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল সেন্টারের সেকশন অফিসার এস. এম. সাজেদুর রহমান, সাজিয়ার মা, মেডিকেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, যবিপ্রবির শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাজিয়া সুলতানা দীর্ঘদিন ধরে হুইলচেয়ারের মাধ্যমে চলাফেরা করলেও তার পুরোনো হুইলচেয়ারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চলাচলে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত ছিলেন। এতে তার ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকা ও পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছিল। বিষয়টি জানার পর ডা. দীপক কুমার মণ্ডল নিজ উদ্যোগে নতুন হুইলচেয়ার প্রদানের ব্যবস্থা করেন। এ বিষয়ে ডা. দীপক কুমার মণ্ডল বলেন, “সাজিয়া সুলতানা আমাদের একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। তার ব্যবহৃত হুইলচেয়ারটি অনেক দিন ধরেই অচল অবস্থায় ছিল। শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো সমাধান করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। তার দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করতে এবং অন্যদের মতো স্বাবলম্বী করে তুলতে এই হুইলচেয়ারটি প্রদান করা হয়েছে।” নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সাজিয়া সুলতানা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছি। হাঁটাচলার অসুবিধার কারণে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারছিলাম না, ফলে পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছিল। অনেকবার হাঁটার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়েছি, এতে পায়ের সমস্যাও আরও বেড়ে যায়। বিষয়টি আমি ডা. দীপক কুমার স্যারকে জানালে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং আমাকে একটি হুইলচেয়ার উপহার দেন। এর ফলে আমার ক্লাসে যাওয়া-আসা ও দৈনন্দিন চলাফেরা এখন অনেক সহজ হবে বলে আশা করছি।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.