৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাত বিরাতে আঞ্চলিক সড়কে নিরাপত্তা কোথায়? বিভিন্ন ক্যাম্পের পুলিশদের দেখা যায় না সড়কে নিরাপত্তায়

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০১:৩৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১১৬
রাত বিরাতে আঞ্চলিক সড়কে নিরাপত্তা কোথায়? বিভিন্ন ক্যাম্পের পুলিশদের দেখা যায় না সড়কে নিরাপত্তায়

ইনছান আলী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ

ঝিনাইদহের আঞ্চলিক সড়কগুলো রাত্রিকালীন নিরাপত্তার অভাবে ভুগছে। সাংবাদিকতার দ্বায়িত্ব পালন করতে রাত বিরাতে প্রায়ই যেতে হয় এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায়, ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়নে,কিন্তু যে বিষয়টি স্পষ্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে রাত্রিকালীন যাতায়াতের নিরাপত্তায় ভূগছেন ঝিনাইদহ বাসী। উদাহরণ স্বরুপ বলা যেতে পারে ঝিনাইদহ থেকে পাগলাকানাই সড়ক ধরে রাত দশটার পরে কোটচাঁদপুর থেকে ঝিনাইদহে বা ঝিনাইদহ থেকে কোটচাঁদপুরে যাতায়াতের আতঙ্কে প্রায় সকলেই ভুগছেন। দিগন্ত জোড়া খোলা মাঠের মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়েছে সড়কটি, কিন্তু নিরাপত্তা কোথায়?
যদিও পাগলাকানাই থেকে গান্না ইউনিয়ন পর্যন্ত রয়েছে একটি পুলিশ ফাড়ি, বেতাই চন্ডিপুর পুলিশ ক্যাম্প কিন্তু দুঃখ জনক বিষয় কখনোই তাদের রাত্রিকালীন নিরাপত্তায় সড়কে দেখা যায় না।

জিয়া নগর বাজার থেকে কোটচাঁদপুর পর্যন্ত যেতে তালসার বাজারেই রয়েছে তালশার পুলিশ ক্যাম্প কিন্তু তাদেরকেও কখনোই নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে আঞ্চলিক সড়কে দেখা যায় না। এছাড়াও রয়েছে মধুহাটি ইউনিয়নের গোপালপুর পুলিশ ক্যাম্প কিন্তু রাএিকালীন গোপালপুর থেকে ডাকবাংলা বাজার পর্যন্ত কোথাও দেখা যায় না সড়কে কোনো রকম নিরাপত্তা।

যদিও জীবনের অতি জরুরী বিষয় ছাড়া তেমন কেউই রাত্রিকালীন যাতায়াত করেন না,তবুও প্রয়োজনে অবশ্যই সবাইকে কখনো না কখনো আঞ্চলিক এই ধু ধু সড়কে যাতায়াত করতেই হয়।

ঝিনাইদহ জেলা সীমান্তবর্তী এলাকা হবার কারণে বিশেষ করে পশ্চিম অঞ্চলের আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করেই যত অবৈধ চোরাকারবারি দের অবাধ বিচরণ। সীমান্ত থেকে যত মাদকদ্রব্য অবৈধ অস্ত্র ও চোরাকারবারিদের অবৈধ মালামাল ঢুকছে মহেশপুর জীবননগর ও দর্শনা থেকে।

আর এই রুটের মধ্যেই রয়েছে ঝিনাইদহের চারটা পুলিশ ক্যাম্প। বেতাই চন্ডিপুর,তালশার,গোপালপুর, বংকিরা কিন্তু দুুঃখ জনক বিষয় সন্ধ্যার পরে এই সকল ক্যাম্পের পুলিশদের সড়কে কোনো ধরনের নিরাপত্তা কখনোই দেখা যায় না।

ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি বংকিরা পুলিশ ক্যাম্পের দুই শত মিটারের মধ্যেই আঞ্চলিক নির্জন সড়কে সেনা সদস্যকে একদল ছিনতাইকারী কুপিয়ে হত্যা করে তার মালামাল নিয়ে পালিয়েছে। ঝিনাইদহ থেকে কোটচাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কে রাত্রিকালীন যাতায়াত যারা করেন তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটেছে ছোট খাটো ছিনতাই, ডাকাতির মতো ঘটনা, তারা আরো জানান আমরা যারা কোম্পানির চাকরি করি সারাদিন কাজ করে সাথে করে টাকাপয়সা নিয়ে যাবার সময়ে একসাথে পাঁচ দশজন মিলে যাই,কারণ

আপনারা হয়ত জানেন গত বছরেও এই সড়কেই বিকাশ কর্মীকে কুপিয়ে প্রায় দশ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। আমাদের খুবই আতঙ্কে চলা ফেরা করতে হয়,কারণ সড়কে দুই পাশে দিগন্ত জোড়া খোলা ফসলের মাঠ আশেপাশে কোথাও কোনো জনবসতি নেই এরকম সড়কে যদি পুলিশের লোকজন থাকেন তবে আমরা অনেকটাই ভরসা পাই।

ঝিনাইদহের পুলিশ সুপারের নিকট সাধারণ জনগণের দাবি আঞ্চলিক সড়কে রাত্রিকালীন যাতায়াতের জন্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হোক।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

রাত বিরাতে আঞ্চলিক সড়কে নিরাপত্তা কোথায়? বিভিন্ন ক্যাম্পের পুলিশদের দেখা যায় না সড়কে নিরাপত্তায়

সময়: ০১:৩৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩
রাত বিরাতে আঞ্চলিক সড়কে নিরাপত্তা কোথায়? বিভিন্ন ক্যাম্পের পুলিশদের দেখা যায় না সড়কে নিরাপত্তায়ইনছান আলী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের আঞ্চলিক সড়কগুলো রাত্রিকালীন নিরাপত্তার অভাবে ভুগছে। সাংবাদিকতার দ্বায়িত্ব পালন করতে রাত বিরাতে প্রায়ই যেতে হয় এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলায়, ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়নে,কিন্তু যে বিষয়টি স্পষ্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে রাত্রিকালীন যাতায়াতের নিরাপত্তায় ভূগছেন ঝিনাইদহ বাসী। উদাহরণ স্বরুপ বলা যেতে পারে ঝিনাইদহ থেকে পাগলাকানাই সড়ক ধরে রাত দশটার পরে কোটচাঁদপুর থেকে ঝিনাইদহে বা ঝিনাইদহ থেকে কোটচাঁদপুরে যাতায়াতের আতঙ্কে প্রায় সকলেই ভুগছেন। দিগন্ত জোড়া খোলা মাঠের মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়েছে সড়কটি, কিন্তু নিরাপত্তা কোথায়? যদিও পাগলাকানাই থেকে গান্না ইউনিয়ন পর্যন্ত রয়েছে একটি পুলিশ ফাড়ি, বেতাই চন্ডিপুর পুলিশ ক্যাম্প কিন্তু দুঃখ জনক বিষয় কখনোই তাদের রাত্রিকালীন নিরাপত্তায় সড়কে দেখা যায় না। জিয়া নগর বাজার থেকে কোটচাঁদপুর পর্যন্ত যেতে তালসার বাজারেই রয়েছে তালশার পুলিশ ক্যাম্প কিন্তু তাদেরকেও কখনোই নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে আঞ্চলিক সড়কে দেখা যায় না। এছাড়াও রয়েছে মধুহাটি ইউনিয়নের গোপালপুর পুলিশ ক্যাম্প কিন্তু রাএিকালীন গোপালপুর থেকে ডাকবাংলা বাজার পর্যন্ত কোথাও দেখা যায় না সড়কে কোনো রকম নিরাপত্তা। যদিও জীবনের অতি জরুরী বিষয় ছাড়া তেমন কেউই রাত্রিকালীন যাতায়াত করেন না,তবুও প্রয়োজনে অবশ্যই সবাইকে কখনো না কখনো আঞ্চলিক এই ধু ধু সড়কে যাতায়াত করতেই হয়। ঝিনাইদহ জেলা সীমান্তবর্তী এলাকা হবার কারণে বিশেষ করে পশ্চিম অঞ্চলের আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করেই যত অবৈধ চোরাকারবারি দের অবাধ বিচরণ। সীমান্ত থেকে যত মাদকদ্রব্য অবৈধ অস্ত্র ও চোরাকারবারিদের অবৈধ মালামাল ঢুকছে মহেশপুর জীবননগর ও দর্শনা থেকে। আর এই রুটের মধ্যেই রয়েছে ঝিনাইদহের চারটা পুলিশ ক্যাম্প। বেতাই চন্ডিপুর,তালশার,গোপালপুর, বংকিরা কিন্তু দুুঃখ জনক বিষয় সন্ধ্যার পরে এই সকল ক্যাম্পের পুলিশদের সড়কে কোনো ধরনের নিরাপত্তা কখনোই দেখা যায় না। ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি বংকিরা পুলিশ ক্যাম্পের দুই শত মিটারের মধ্যেই আঞ্চলিক নির্জন সড়কে সেনা সদস্যকে একদল ছিনতাইকারী কুপিয়ে হত্যা করে তার মালামাল নিয়ে পালিয়েছে। ঝিনাইদহ থেকে কোটচাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কে রাত্রিকালীন যাতায়াত যারা করেন তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটেছে ছোট খাটো ছিনতাই, ডাকাতির মতো ঘটনা, তারা আরো জানান আমরা যারা কোম্পানির চাকরি করি সারাদিন কাজ করে সাথে করে টাকাপয়সা নিয়ে যাবার সময়ে একসাথে পাঁচ দশজন মিলে যাই,কারণ আপনারা হয়ত জানেন গত বছরেও এই সড়কেই বিকাশ কর্মীকে কুপিয়ে প্রায় দশ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। আমাদের খুবই আতঙ্কে চলা ফেরা করতে হয়,কারণ সড়কে দুই পাশে দিগন্ত জোড়া খোলা ফসলের মাঠ আশেপাশে কোথাও কোনো জনবসতি নেই এরকম সড়কে যদি পুলিশের লোকজন থাকেন তবে আমরা অনেকটাই ভরসা পাই। ঝিনাইদহের পুলিশ সুপারের নিকট সাধারণ জনগণের দাবি আঞ্চলিক সড়কে রাত্রিকালীন যাতায়াতের জন্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হোক।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.