৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাবিপ্রবি ও ইবির অংশগ্রহণে পাহাড় ও সমতলের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন 

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৪:৫৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ৪২
রাবিপ্রবি ও ইবির অংশগ্রহণে পাহাড় ও সমতলের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন 

রাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মধ্যে অংশীজন সমন্বয় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।নৈতিকতা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের উদ্দেশ্য এ আয়োজন করে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) নৈতিকতা কমিটি।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়।

সভায় ইবির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) টিমের আহ্বায়ক ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড.সেলিনা আখতার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা ও ইবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইবি রেজিষ্টার এইচ এম আলী হাসান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

সভা শুরুর পূর্বে শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতির মত বিভিন্ন বিষয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়। চুক্তির অংশ হিসেবে আজকের এই সমন্বয় সভা ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সেলিনা আখতার বলেন, “এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই বিশ্বিবদ্যালয়ের মাঝে একটি বন্ধন তৈরি হয়েছে। আমরা দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে এমওইউ স্বাক্ষর করেছি তা পরবর্তীতেও বজায় থাকবে। আসলে আমাদের সকলকে সবসময় শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে। প্রত্যেকের উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করলে দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে। আমরা যদি নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসন মেনে চলি তাহলে আমরা সুন্দর মানুষ হতে পারবো।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, “পাহাড় ও সমতলের মানুষের ভিতর অংশীদারিত্ব তৈরি করে সুশাসন, সংস্কৃতি ও শিক্ষার মাধ্যমে এই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। পাহাড় ও সমতলের মানুষ এদেশেই মানুষ। আমাদের সংস্কৃতির ভিন্নতা আছে, কৃষ্টি কালচারের বৈচিত্র্য আছে এই ভিন্ন সংস্কৃতি সমন্বয় করার মধ্যমে দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি আরও এগিয়ে যাবে। আমরা সকলে মিলে আমাদের এই দেশটা এগিয়ে নিয়ে যাবো।”

সভা শেষে রাবিপ্রবি ও ইবির শিক্ষার্থীদের যৌথ অংশগ্রহণে পাহাড়ি ও সমতলের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

রাবিপ্রবি ও ইবির অংশগ্রহণে পাহাড় ও সমতলের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন 

সময়: ০৪:৫৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
রাবিপ্রবি ও ইবির অংশগ্রহণে পাহাড় ও সমতলের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন রাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মধ্যে অংশীজন সমন্বয় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।নৈতিকতা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের উদ্দেশ্য এ আয়োজন করে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) নৈতিকতা কমিটি। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। সভায় ইবির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) টিমের আহ্বায়ক ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড.সেলিনা আখতার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা ও ইবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইবি রেজিষ্টার এইচ এম আলী হাসান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সভা শুরুর পূর্বে শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতির মত বিভিন্ন বিষয়ে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) সমঝোতা চুক্তি সাক্ষরিত হয়। চুক্তির অংশ হিসেবে আজকের এই সমন্বয় সভা ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সেলিনা আখতার বলেন, “এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই বিশ্বিবদ্যালয়ের মাঝে একটি বন্ধন তৈরি হয়েছে। আমরা দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝে এমওইউ স্বাক্ষর করেছি তা পরবর্তীতেও বজায় থাকবে। আসলে আমাদের সকলকে সবসময় শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে। প্রত্যেকের উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করলে দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে। আমরা যদি নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসন মেনে চলি তাহলে আমরা সুন্দর মানুষ হতে পারবো। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, “পাহাড় ও সমতলের মানুষের ভিতর অংশীদারিত্ব তৈরি করে সুশাসন, সংস্কৃতি ও শিক্ষার মাধ্যমে এই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। পাহাড় ও সমতলের মানুষ এদেশেই মানুষ। আমাদের সংস্কৃতির ভিন্নতা আছে, কৃষ্টি কালচারের বৈচিত্র্য আছে এই ভিন্ন সংস্কৃতি সমন্বয় করার মধ্যমে দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি আরও এগিয়ে যাবে। আমরা সকলে মিলে আমাদের এই দেশটা এগিয়ে নিয়ে যাবো।” সভা শেষে রাবিপ্রবি ও ইবির শিক্ষার্থীদের যৌথ অংশগ্রহণে পাহাড়ি ও সমতলের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.