রৌমারী চরাঞ্চলে মিশ্র ফসলের চাষে কৃষক স্বাবলম্বী
- সময়: ১২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩
- / ৪০

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
রৌমারী উপজেলার ৭৫% মানুষ কৃষক। কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকরা। কৃষকরা বিভিন্ন ফসলের চাষ করে সংসারের চাহিদা মিটিয়েও ৪০% ফসল বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হচ্ছে চাষিরা। উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের পালেরচর, চর খেরুয়ারচর, চর খেদাইমারীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে একই জমিতে এক সাথে ৫টি ফসলের চাষ করে স্বাবলম্বি হওয়ার সম্ভাবনাময় ভাবছেন। উপজেলা বিভিন্ন চরাঞ্চল এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা দেছে, একজমিতে এক সাথে ৫ জাতের ফসলের চাষ । ফসলের মধ্যে রয়েছে মরিচ,আখ, তিল, মশুর ডাল, বিভিন্ন জাতের শাখ সবজির চাষ করেছে।
চরাঞ্চলের কৃষক ওয়াহাব, আব্দুস সবুর, রমজান আলী, করিম উদ্দিনসহ অনেকেই জানান,বন্যার পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরপরই একই জমিতে আখ, মরিচ, মশুর ডাল, তিল, শাক সবজিসহ ৫/৬ জাতের মিশ্র ফসলের বীজ এক সাথে রোপন করা হয়। এই ফসলের চারা এক সাথে বড় হয়ে উঠে। প্রয়োজন অনুযায়ী পানির সেচ ও সার প্রয়োজ করা হয়।
পালের চরের মিশ্র ফসল চাষি জিয়া উদ্দিন জানান, প্রতিবছর প্রায় ৪০ শতাংশ জমিতে মিশ্র ফসলের চাষ করা হয়। আমার পরিবার পরিজন নিয়ে এই ৪০ শতক জমির ফসলের উপর নির্ভরশীল। এই জমিতে প্রতিবছর মিশ্র ফসল চাষ করে জীবিকা নিবার্হ করেও আয় করা
হচ্ছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে আকাশের গতি অনুকুলে থাকলে আরো বেশী আয় করা সম্ভব। চরাঞ্চলে কৃষি কর্মকর্তারা কোন সময় আসে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহযোগীতাও করা হয় না। সরকারের সহযোগীতা থাকলে আমরা আরোও স্বাবলম্বি হতে পারতাম।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, চরাঞ্চলে প্রায় আড়াশো হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ফসলের চাষ হয়েছে। আকাশ অনুকুলে থাকলে বাম্পার ফলনের পাশাপাশি দামেও পাবে কৃষকরা।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.














