৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সত্য প্রকাশ: জমি বিবাদে ডাঃ মোঃ আল-আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৭:৫৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০৩
সত্য প্রকাশ: জমি বিবাদে ডাঃ মোঃ আল-আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে

মোঃ রিয়াদ প্রধান

সম্প্রতি নলডাঙ্গা ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামী সভাপতি ডাঃ মোঃ আল-আমিন মিয়া-কে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যা কিছু পক্ষ বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করছে। তবে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ মূলত জমি নিয়ে স্থানীয় বিরোধ।

ঘটনার বিবরণ:

পক্ষ ১: কাদের গং

পক্ষ ২: নজরুল গং

০২/০৮/২০২৫ তারিখে স্থানীয় জনগণের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমাধান করা হয়। প্রমাণিত হয়েছে যে, উক্ত ৮ শতাংশ জমি কাদের গং-এর নয়, এবং উপস্থিত সালিশি বৈঠকে উভয় লিখিত ও মৌখিক স্বীকারোক্তির মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি থানা প্রশাসনও অবগত।

উক্ত সালিশি বৈঠকের একজন সদস্য হিসেবে বলা যায়, এরপরও কাদের গং ইচ্ছাকৃতভাবে জোরপূর্বক জমি দখল করতে গেলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এই দ্বন্দ্ব থামাতে এগিয়ে গেলে ডাঃ আল-আমিন মিয়াকে হুমকি ও ধাক্কা দেওয়া হয়, কিন্তু উল্টোভাবে তাঁকে জড়িয়ে প্রচারণা ও প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।

সংক্ষেপে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়া মানে চরম মিথ্যা ছড়িয়ে সত্যকে বিকৃত করা যায় না। সত্য সবসময় জয়ী হয়।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সত্য প্রকাশ: জমি বিবাদে ডাঃ মোঃ আল-আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে

সময়: ০৭:৫৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সত্য প্রকাশ: জমি বিবাদে ডাঃ মোঃ আল-আমিন মিয়ার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছেমোঃ রিয়াদ প্রধান সম্প্রতি নলডাঙ্গা ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামী সভাপতি ডাঃ মোঃ আল-আমিন মিয়া-কে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যা কিছু পক্ষ বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করছে। তবে এই ঘটনার প্রকৃত কারণ মূলত জমি নিয়ে স্থানীয় বিরোধ। ঘটনার বিবরণ: পক্ষ ১: কাদের গং পক্ষ ২: নজরুল গং ০২/০৮/২০২৫ তারিখে স্থানীয় জনগণের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমাধান করা হয়। প্রমাণিত হয়েছে যে, উক্ত ৮ শতাংশ জমি কাদের গং-এর নয়, এবং উপস্থিত সালিশি বৈঠকে উভয় লিখিত ও মৌখিক স্বীকারোক্তির মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি থানা প্রশাসনও অবগত। উক্ত সালিশি বৈঠকের একজন সদস্য হিসেবে বলা যায়, এরপরও কাদের গং ইচ্ছাকৃতভাবে জোরপূর্বক জমি দখল করতে গেলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এই দ্বন্দ্ব থামাতে এগিয়ে গেলে ডাঃ আল-আমিন মিয়াকে হুমকি ও ধাক্কা দেওয়া হয়, কিন্তু উল্টোভাবে তাঁকে জড়িয়ে প্রচারণা ও প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। সংক্ষেপে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়া মানে চরম মিথ্যা ছড়িয়ে সত্যকে বিকৃত করা যায় না। সত্য সবসময় জয়ী হয়।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.