৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে মাদক ব্যবসা ঠেকাতে বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি সচেতন মহলের।

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ১১:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০৪
সীমান্তে মাদক ব্যবসা ঠেকাতে বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি সচেতন মহলের।

মোঃ সাইফুর রহমান ফুলবাড়ি (কুড়িগ্রাম )প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার ও মাদক ব্যবসা একটি বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার বহু মানুষ জীবিকার অভাবে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যুবসমাজ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। কৃষিকাজ মৌসুমি হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় বেকারত্বে ভুগতে হয় তাদের। বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় সীমান্তবাসীদের একটি অংশ বাধ্য হয়ে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দিয়ে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।

স্থানীয়দের দাবি, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ উদ্যোগে সীমান্ত এলাকায় শিল্প প্রতিষ্ঠান অথবা পরিকল্পিত শিল্প নগরী গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে মাদক ব্যবসা থেকে যুব সমাজকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

ফুলবাড়ীর বাসিন্দারা মনে করেন, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে সীমান্ত এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা আসবে এবং মাদক ব্যবসার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড থেকে মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।

 


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সীমান্তে মাদক ব্যবসা ঠেকাতে বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি সচেতন মহলের।

সময়: ১১:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সীমান্তে মাদক ব্যবসা ঠেকাতে বিকল্প কর্মসংস্থানের দাবি সচেতন মহলের।মোঃ সাইফুর রহমান ফুলবাড়ি (কুড়িগ্রাম )প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচার ও মাদক ব্যবসা একটি বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার বহু মানুষ জীবিকার অভাবে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যুবসমাজ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। কৃষিকাজ মৌসুমি হওয়ায় বছরের বেশিরভাগ সময় বেকারত্বে ভুগতে হয় তাদের। বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় সীমান্তবাসীদের একটি অংশ বাধ্য হয়ে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দিয়ে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয়দের দাবি, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ উদ্যোগে সীমান্ত এলাকায় শিল্প প্রতিষ্ঠান অথবা পরিকল্পিত শিল্প নগরী গড়ে তোলা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে মাদক ব্যবসা থেকে যুব সমাজকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। ফুলবাড়ীর বাসিন্দারা মনে করেন, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে সীমান্ত এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা আসবে এবং মাদক ব্যবসার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড থেকে মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।  

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.