সীমাহীন দূর্নীতির অভিযোগ পলাশবাড়ীর দুই কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
- সময়: ০৫:১১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
- / ৬২
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ও হরিনাথপুর ইউনিয়নে কর্মরত দুই উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন— উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন এবং রিপন মিয়া।
এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে গত ১৮ আগস্ট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক মানবজমিনের পলাশবাড়ী প্রতিনিধি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম রতন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, শাহাদাৎ হোসেন ও রিপন মিয়া তাদের নিজ নিজ ইউনিয়নে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তাদের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগগুলো হলো:
* প্রণোদনা বিতরণে স্বজনপ্রীতি: প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে সরকারি সার ও বীজ বিতরণ।
* ভুয়া তালিকা তৈরি: কৃষক নন এমন ব্যক্তিদের নামে ভুয়া তালিকা তৈরি করে সার ও বীজ উত্তোলন এবং তা কালোবাজারে বিক্রি।
* ধান ক্রয়ে অনিয়ম: ইরি-বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের তালিকাতেও ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ।
* কৃষকদের সাথে বিচ্ছিন্নতা: ইউনিয়নের অধিকাংশ কৃষক তাদের চেনেন না। কৃষক সমাবেশ বা প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রমগুলো মনগড়া তালিকার মাধ্যমে কাগজে-কলমে দেখানো হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
দুর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে পবনাপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিপন মন্ডল বলেন, “বিভিন্ন কারণে আমাকে বদলির চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু আমি আমার বদলি ঠেকিয়েছি। আমার অপরাধ হলো, আমি দুজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে খারাপ আচরণ করেছি।”
অন্যদিকে, হরিনাথপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে “সত্য নয়” বলে দাবি করেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা কায়সার মিশুর সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
দায়েরকৃত অভিযোগে এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির বিষয়গুলো সরেজমিনে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.














